১৯ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়ান কিপার-ব্যাটসম্যান।
Published : 17 Sep 2026, 05:58 PM
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাঠ আগেই চুকিয়ে ফেলা ম্যাথু ওয়েড এবার বিদায় বলে দিলেন বিগ ব্যাশকে। কোচিং ক্যারিয়ারে মনোযোগ দিতে এই সিদ্ধান্ত নিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়ান কিপার-ব্যাটসম্যান।
গত বছর হোবার্ট হারিকেন্সে খেলার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার পুরুষ দলের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন ওয়েড। তবে ২০২৬-২৭ মৌসুম শুরুর আগে খেলোয়াড়ী জীবনের ইতি টেনে দিলেন ৩৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ওয়েড। ২০২৪ সালের আসরের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান তিনি। এরপর শুরু করেন কোচিং ক্যারিয়ার। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার পুরুষ দলের সাদা বলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে।
২০২৪ সালের মার্চে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন ওয়েড। এরপর তাসমানিয়ার হয়ে ওয়ানডে কাপ ও হোবার্টের হয়ে বিগ ব্যাশে প্রতিনিধিত্ব করছিলেন তিনি। এই সময়ে ওয়ানডে কাপে কেবল ১০টি ম্যাচ খেলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। যার সবশেষটি গত মার্চে, নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে।
তাসমানিয়ার হয়ে ওয়ানডে কাপে প্রতিনিধিত্বের অধ্যায়ও শেষ করলেন ওয়েড। তাতে শেষ হলো তার ১৯ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ার।
২০১১-১২ মৌসুমে মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে বিগ ব্যাশে অভিষেক হয় ওয়েডের। তখন তার সতীর্থ ছিলেন শেন ওয়ার্ন। স্টার্সের হয়ে ১৬টি ও মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে ১৩টি ম্যাচ খেলার পর নিজ রাজ্য তাসমানিয়ার দল হোবার্ট হারিকেন্সে ফিরে যান তিনি। দলটির জার্সিতে খেলেন ৯০টি ম্যাচ।
বিগ ব্যাশে মোট ১১৯ ম্যাচে ১৪২.৩৫ স্ট্রাইক রেটে ২ হাজার ৯৭৮ রান করেছেন ওয়েড। একটি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ফিফটি আছে তার ১৯টি। এই প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় নবম স্থানে তিনি।
হোবার্টের হয়ে দুই হাজার রান করা তিন ব্যাটসম্যানের একজন ওয়েড। দলটির জার্সিতে তার রান ২ হাজার ৪৪৬। তালিকায় তার ওপরে আছেন ডার্সি শর্ট (২ হাজার ৭০৬) ও বেন ম্যাকডারমট (৩ হাজার ১৮৪)।
তবে তার ক্যারিয়ার সেরা ১৩০ রানের অপরাজিত ইনিংসের চেয়ে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি হোবার্টের আর কেউ। ২০২৪-২৫ মৌসুমে হোবার্টের প্রথম বিগ ব্যাশ শিরোপা জয়ের পথেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার।
ঘরোয়া ক্রিকেটে পাঁচটি স্টেট শিরোপা জিতেছেন ওয়েড, সবগুলোই ভিক্টোরিয়ার হয়ে। এর মধ্যে রয়েছে চারটি শেফিল্ড শিল্ড শিরোপা- ২০০৮-০৯, ২০০৯-১০, ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ মৌসুমে এবং ৫০ ওভারের একটি শিরোপা, ২০১০-১১ মৌসুমে।