বাসের ভাড়া দূরপাল্লায় প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা, নগর পরিবহনের ক্ষেত্রে ১০ পয়সা এবং লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সমিতি।
Published : 22 Sep 2026, 04:40 PM
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাস ভাড়া পুনঃনির্ধারণের ক্ষেত্রে বাস ও লঞ্চ মালিকদের একচেটিয়া সুবিধা দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে, বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
তার মতে, একচেটিয়া সুবিধা দিতেই ভুক্তভোগী বা ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিত্ব বাদ দিয়ে বাস ও লঞ্চ মালিকদের নিয়ে দফায় দফায় রুদ্ধধার বৈঠক করছে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। জনস্বার্থে ভাড়া পুণঃনির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার পরিবর্তে লুকোচুরি করা হচ্ছে।
গণমাধ্যমে মঙ্গলবার সকালে পাঠানো এক জরুরি বার্তায় এমন অভিযোগ করেন তিনি।
বার্তায় বাসের ভাড়া দূরপাল্লায় প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা, নগর পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ১০ পয়সা এবং লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করে সমিতি।
বার্তায় বলা হয়, “জ্বালানির মূল্য বাড়লে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিগত স্বৈরাচারের সময়কাল থেকে সরকারের সংশ্লিষ্টরা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির একচেটিয়া সুবিধা বাস ও লঞ্চ মালিকদের পকেটে তুলে দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তারা জনস্বার্থের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাস ও লঞ্চ মালিকদের নিয়ে দফায় দফায় রূদ্ধধার বৈঠক করে।”
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, “গণমাধ্যমের কাছে লুকোচুরি করে ভাড়া নির্ধারণ কেবলমাত্র মালিক সমিতি ও সরকার মিলে করলেও গণমাধ্যমে সব অংশীজনের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের কথা প্রচারের মধ্য দিয়ে জায়েজ করে থাকে।
“অথচ দেশের বৃহত্তর অংশীজন যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিকে ভাড়া নির্ধারণের কোনো বিষয়ে মতামত নেওয়া হয় না। কত টাকা তাদের পরিচালন ব্যয় বাড়ল, কত পয়সা ভাড়া বাড়ালে তার সমন্বয় করা সম্ভব তার কোনো স্বচ্ছতা জাতির সামনে প্রকাশ করা হয় না। এভাবে বিগত স্বৈরাচারের সময়কাল থেকে পরিবহন মাফিয়াদের তোষামোদি করে আসছে সরকার। এতে দেশের সাধারণ মানুষ বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”