আমার কথা

আজমল তানজীম সাকির (১৭), ঢাকা।

Published: 2020-08-01 19:11:20.0 BdST Updated: 2020-08-01 19:13:28.0 BdST

সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির লাভের আশায় ঈদুল আজহার দিনে ইসলাম ধর্মাবলম্বীর সামর্থ্যবান মানুষরা বিভিন্ন পশু জবাই করে থাকেন। সেই পশু কারো কষ্টের টাকায় কেনা, কারো আবার দীর্ঘদিনের পালন করা। সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি, স্বজন আর দরিদ্রদের মাঝে মাংস ভাগাভাগি করে নেওয়াতে সেই ত্যাগ পরিণত হয় আনন্দে।

তবে অনেকেই আছেন যাদের পশু কুরবানি দেওয়ার মতো অবস্থা থাকে না। তবুও তারা ত্যাগ করেন অনেক কিছু। সেই ত্যাগ হয় কিছু প্রাপ্তির আশায়। সেই প্রাপ্তির আশা যখন বাস্তবে ধরা দেয় তখন ত্যাগ পরিণত হয় আনন্দে। 

দীর্ঘদিন ধরে পালা পশুটি যখন মালিক বিক্রি করে দেয় তখন তাকে মনের সব মায়া ত্যাগ করতে হয়। প্রতি বছর ইন্টারনেটে বা পত্রিকায় পশুকে জড়িয়ে মালিকের কান্নার ছবি আসে। কোনো কিশোর-কিশোরীকে দেখা যায় ছোট্ট থেকে বন্ধু করে রাখা পশুর মায়া ত্যাগ করতে গিয়ে চোখের পানি আটকাতে। অনেকেই সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। 

সেই পশুটা বিক্রির টাকায় হয়তো কেউ স্বপ্ন দেখে তার পরিবারের খাবারের ব্যবস্থা হবে। কেউ স্বপ্ন দেখে তার সন্তানের শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগানটা হবে। তাদের স্বপ্ন পূরণ হবে যেদিন সেদিন এ ত্যাগগুলোও হয়তো রূপ নেবে আনন্দে।  

শুধু কি তাই? ঈদুল ফিতরের মতো ঈদুল আজহাতেও অনেক চিকিৎসক ব্যস্ত থাকবেন মানুষকে সেবা দিতে। অনেক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ব্যস্ত থাকবেন মানুষের নিরাপত্তা দিতে। অনেক সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহে থাকবেন। পরিবারের সাথে ঈদ কাটানোর আনন্দ ত্যাগ করতে হবে তাদের। সেই ত্যাগের গল্পগুলো স্মৃতির পাতায় যেদিন আনন্দের অক্ষরে লেখা থাকবে সেদিন তাদের ত্যাগ সফল হবে। 

একজন চিকিৎসক একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থ করে কিংবা কারো জীবন বাঁচালে সেই ত্যাগ হবে সার্থক। নিরাপত্তাকর্মীরা মানুষদের নিরাপদ রাখতে পারলেই হয়তো তার ত্যাগ সফল হবে। সাংবাদিকরা সারাদিনের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর বা তথ্য সংগ্রহের মাঝেই খুঁজে পাবে আনন্দ।

নিজের মনের সাথে লড়াই করে জিতে যান তারা। সমাজের জন্য, পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য কিংবা কোনো স্বপ্ন সত্যি করার জন্য  অনেক কিছুই ত্যাগ করতে হচ্ছে পৃথিবীর অসংখ্য মানুষকে। সেই ত্যাগগুলো সফল হলেই সুন্দর হবে সমাজ, দেশ, পৃথিবী।

তুমি কি জান, সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা হ্যালো শুধুই শিশুদের কথা বলে? বয়স যদি ১৮’র কম হয়, তাহলে তুমিও হতে পার শিশু সাংবাদিক! তাহলে আর কী, নিজের তৈরি প্রতিবেদন, ভিডিও প্রতিবেদন, ভ্রমণকাহিনী, জীবনের স্মরণীয় ঘটনা, আঁকা ও তোলা ছবি, বুক বা সিনেমা রিভিউ পাঠাতে পার আমাদের কাছে। লিখতে পার প্রিয় সাহিত্যিক ও ব্যক্তিত্বকে নিয়েও। এমনকি নিজের কথা লিখতেও নেই কোনো মানা।

লেখা ও ভিডিও পাঠানোর ঠিকানা hello@bdnews24.com। সঙ্গে নিজের নাম, ফোন নম্বর, জেলার নাম ও ছবি দিতে ভুলবে না কিন্তু। তবে তার আগে রেজিস্ট্রেশন করতে ক্লিক করো reg.hello.bdnews24.com

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত