পানিতে নিরাপদ থাকার নিয়ম, ঝুঁকি চেনা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে নিরাপদে প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়, সেসব বিষয়ও শেখানো প্রয়োজন।
Published : 22 Sep 2026, 11:40 AM
বাংলাদেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে প্রাণ হারায় হাজারো শিশু। ইউনিসেফ বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়।
তাই শিশুকে সাঁতার শেখানো শুধু একটি দক্ষতা অর্জন নয় বরং পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ছয় বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের মৌলিক সাঁতার এবং পানিতে নিরাপদ থাকার দক্ষতা শেখানো ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
তবে শুধু সাঁতার জানলেই শিশু পুরোপুরি নিরাপদ নয়। পানিতে নিরাপদ থাকার নিয়ম, ঝুঁকি চেনা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে নিরাপদে প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়, সেসব বিষয়ও শেখানো প্রয়োজন। প্রশিক্ষণও হতে হবে নিরাপদ পরিবেশে এবং প্রশিক্ষিত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে।
অন্যদিকে, ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সাঁতার শেখানোর চেয়ে নিরাপদ পরিচর্যা ও দায়িত্বশীল প্রাপ্তবয়স্কের সার্বক্ষণিক নজরদারি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ছোট শিশুরা পানির ঝুঁকি বুঝতে পারে না এবং দ্রুত পানিতে ডুবে যেতে পারে।
পাশাপাশি ছোট শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিচর্যার ব্যবস্থা করা এবং বাড়ির আশপাশের পুকুর, খাল বা অন্যান্য জলাধারে শিশুদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ঠেকানোর ব্যবস্থাও জরুরি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, শিশুদের সাঁতার ও পানিতে নিরাপদ থাকার দক্ষতা শেখানো, ছোট শিশুদের যথাযথ তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা এবং জলাধারের আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার মত উদ্যোগ একসঙ্গে নেওয়া গেলে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু কমানো সম্ভব।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।