১৯৯৩ সাল থেকে পালন করা হয় 'বিশ্ব পানি দিবস'।
Published : 22 Mar 2025, 09:47 PM
পানির অপর নাম বলা হয় জীবনকে। প্রাণের অস্তিত্ব রক্ষায় পানি কত গুরুত্বপূর্ণ তা এই কথার মধ্যেই স্পষ্ট। তবে বিশ্বজুড়ে নিরাপদ পানীয় জলের সংকটে জর্জরিত অনেক মানুষ।
জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিশ্বের প্রায় ২২০ কোটি মানুষ নিরাপদ পানীয় জল থেকে বঞ্চিত। বাংলাদেশেও বিভিন্ন অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট রয়েছে। যা জনস্বাস্থ্য ও জীবিকা নির্বাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বিশ্বব্যাপী নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস পালন করা হয়।
জাতিসংঘ বলছে, ১৯৯৩ সাল থেকে এই দিবসটি পালন করা হয়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ছয় নম্বরে ‘সকলের জন্য পানি ও স্যানিটেশন’ বিষয়ে বলা হয়েছে।
বিশ্ব পানি দিবসে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে। এছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করে থাকে।
২০২৫ সালের বিশ্ব পানি দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘হিমবাহ সংরক্ষণ’। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে হিমবাহ দ্রুত গলছে, যা ভবিষ্যতে পানির নিরাপত্তার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
এই সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ ২০২৫ সালকে আন্তর্জাতিক হিমবাহ সংরক্ষণ বর্ষ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি ২০২৫ থেকে ২০৩৪ সালকে ‘ক্রায়োস্ফিয়ারিক বিজ্ঞানের দশক’ হিসেবে পালন করার পরিকল্পনা করেছে।
পানি সংরক্ষণ, অপচয় রোধ, টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এই দিবসটির অনেক গুরুত্ব রয়েছে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: ঢাকা।