মাঝিরা জানান, শুধু যাত্রী পারাপারই নয়, অনেক মাঝি দূরে নোঙর করা লঞ্চে যাত্রী পৌঁছে দেন।
Published : 29 Sep 2026, 01:50 PM
বুড়িগঙ্গার সদরঘাট, ওয়াইজঘাট, বাদামতলী ও শ্যামবাজার ঘাট দিয়ে প্রতিদিনই ছোট ছোট নৌকায় মানুষ নদী পার হয়। এসব নৌকা চালিয়েই জীবিকা চলে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মাঝির।
সকাল থেকে শুরু হয়ে এই ব্যস্ততা চলে রাত পর্যন্ত। তবে বিকেলের পর মানুষের ভিড় আরও বেড়ে যায়।
মাঝিরা জানান, শুধু যাত্রী পারাপারই নয়, অনেক মাঝি দূরে নোঙর করা লঞ্চে যাত্রী পৌঁছে দেন। এছাড়া অনেকে বিকেলের দিকে নৌকা ভাড়া করে নদীতে ঘুরতেও বের হন। এতে মাঝিদের বাড়তি আয় হয়।
এই নৌকাগুলো দিয়ে ছোট ছোট পণ্যও আনা-নেওয়া করা হয়। কেরানীগঞ্জের বাজার থেকে কাপড়সহ নানা মালামাল দ্রুত পৌঁছাতে অনেকেই এই পথ বেছে নেন।
স্থানীয়রা জানান, সড়কপথে ঘুরে গেলে সময় বেশি লাগে। তাই কম সময়ে নদী পার হতে নৌকাই সহজ ভরসা। এছাড়াও অফিসগামী মানুষ, ব্যবসায়ী আর শ্রমজীবীরা প্রতিদিনই এই পথ ব্যবহার করেন।
নদী পাড়ের এই ব্যস্ততা জানিয়ে দেয়, বুড়িগঙ্গা এখনো বহু মানুষের জীবন, চলাচল আর জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।