ধূমপান না করেও পরোক্ষ ধূমপানের কারণে একজন মানুষ ক্ষতির শিকার হতে পারে।
Published : 13 Sep 2026, 04:12 PM
ধূমপান একজন মানুষের ব্যক্তিগত অভ্যাস হতে পারে। কিন্তু সেই ধোঁয়া যখন অন্য মানুষের নিঃশ্বাসে মিশে যায়, তখন বিষয়টি আর ব্যক্তিগত থাকে না। একজনের ধূমপানের কারণে কেন অন্যদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে হবে?
আমাদের দেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ। কিন্তু আইন থাকলেই হবে না, এর সঠিক প্রয়োগও নিশ্চিত করতে হবে। রাস্তাঘাট, বাসস্ট্যান্ড, রেস্তোরাঁ, পার্ক কিংবা গণপরিবহনে এখনো প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখা যায়।
সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় গণপরিবহনে। একটি বাস, সিএনজি বা মাইক্রোবাসে চালক কিংবা কোনো যাত্রী যখন সিগারেট ধরান, তখন গাড়ির ভেতরে থাকা অন্য সবাইও সেই ধোঁয়ার শিকার হন। সেখানে শিশু, বয়স্ক কিংবা অসুস্থ মানুষও থাকতে পারে। তারা চাইলেও সব সময় জায়গা বদলাতে পারেন না।
এর ফলে ধূমপান না করেও পরোক্ষ ধূমপানের কারণে একজন মানুষ ক্ষতির শিকার হতে পারে।
চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেটে' প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে শিশুসহ ২৭০ কোটির বেশি মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার। এর কারণে ২০২৩ সালে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
তাই পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধে বিদ্যমান আইন আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা উচিত বলে আমি মনে করি। আইন ভাঙলে জরিমানার পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি করতে হবে।
তবে শুধু আইনই যথেষ্ট নয়। মানুষকে সচেতন করাও জরুরি। বোঝাতে হবে, পাবলিক প্লেসে ধূমপান না করা শুধু আইন মানা নয়, এটি অন্য মানুষের প্রতি সম্মান দেখানো।
স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেঁচে থাকা সবার অধিকার। তাই পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহন সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত করা হোক।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: কক্সবাজার।