সে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার 'হরিচরণ লস্কর আমেনা' গ্রামে থাকে।
Published : 26 Sep 2026, 11:00 PM
ছায়ার জন্য মাথার ওপর একটি ছাতা, বসার জন্য নিচে বিছানো বস্তা। রেল লাইনের পাশের অস্থায়ী এই সেলুনের নরসুন্দর ১৬ বছর বয়সী আনন্দ। দিনের বড় একটা অংশ তার এখানেই কাটে।
সে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার 'হরিচরণ লস্কর আমেনা' গ্রামে থাকে।
কথায় কথায় আনন্দ জানায়, জন্মের আগেই তার বাবার মৃত্যু হয়। তার মা রাজধানী ঢাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। পরিবারে অর্থের জোগান দিতেই সে আয়ের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে।
আনন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করলেও মাধ্যমিকে এসে থেমে যায় তার শিক্ষাজীবন। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় আর্থিক সংকটের কারণে তাকে পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে হয়।
পড়াশোনা থেমে গেলেও জীবন থেমে থাকেনি। তার খালাতো ভাইয়ের কাছ থেকে চুল-দাড়ি কাটার কাজ শিখে হাতে কাঁচি ও ক্ষুর তুলে নেয় সে।
আনন্দ জানায়, প্রতিদিন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় হয় তার। এই টাকা দিয়ে সে নিজের খরচ চালায় এবং পরিবারের প্রয়োজনেও সহায়তা করে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৫। জেলা: রংপুর।