এখনো নতুন বই পাইনি, শিক্ষকরা মুখে বুঝিয়ে দিচ্ছেন

ক্লাসে শিক্ষকরা মুখে মুখে বলে আমাদের নতুন বই বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
নতুন বছরের প্রথম দিনটি বই উৎসব হিসেবে উদযাপন হয়।

নতুন বছরের প্রথম দিনটি বই উৎসব হিসেবে উদযাপন হয়।

আমাদের পাঠ্যবই পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত এক রকম পড়েছি, এখন ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পুরোটা ভিন্ন রকম।

এই বছর থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হয়েছে। তাই প্রথম প্রথম বুঝতে একটু কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু পরে হয়ত আর এই কষ্ট হবে না।

পরীক্ষার পর ভেবেছিলাম আগের মতো বই হয়ত থাকবে, কিন্তু না। নতুন পাঠ্যক্রম হলো আমাদের, তাই নতুন ক্লাসে উঠে নতুন বইয়ের সাথে মানিয়ে নিতে একটু কষ্টই হবে হয়ত।

আগে বাড়ির কাজ থাকত কিন্তু এখন বাড়ির কাজ কম থাকে। বেশির ভাগ পড়া স্কুলে বসেই করে নিতে হয়। আগে যেসব নাম শুনেছি, ষষ্ঠ শ্রেণিতে সেই বইও পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। নতুন ক্লাসে পেলাম নতুন নতুন নাম ।

বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি নতুন এসেছে জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি। এসব নতুন বই আমাদের থেকে শুরু করা হলো।কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আমরা এখনো সব বই হাতে পেলাম না। জানুয়ারির অনেকদিন তো হয়ে গেল! বই এখনো স্কুলে না আসায় নাকি পাইনি আমরা।

আমাদের সময় থেকে নতুন শিক্ষাক্রম পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়েছে। সেই দিক থেকে বলতে পারি আমরা নতুনের সাথেই বেড়ে উঠব। ষষ্ঠ শ্রেণিতে উঠে নতুন শিক্ষাক্রমে অংশ নিচ্ছি আমরা।

আমাদের স্কুলে অনেক ছাত্র-ছাত্রী, তাই ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে আমাদের ভর্তি হতে হয়। সব কিছু হলেও এখনো হাতে কোনো বই পেলাম না। ক্লাসে শিক্ষকরা মুখে বলে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। এবার বলতে গেলে সব বইয়ের নামই পাল্টে গেছে।

নতুন বইয়ে পড়া বেশির ভাগ স্কুল থেকেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। ক্লাসে শিক্ষকরা মুখে মুখে বলে আমাদের নতুন বই বুঝিয়ে দিচ্ছেন। শুনেছি শিক্ষকরা প্রশিক্ষণও নিচ্ছেন।

নতুন স্কুলে পেয়েছি, পুরাতন বন্ধুর পাশাপাশি নতুন বন্ধুও পেয়েছি। তাদের সঙ্গে ক্লাসের ফাঁকে সময় কাটাই। বই না পাওয়ায় বাড়িতে বসে পড়তে পারছি না।

প্রতিবেদকের বয়স: ১১। জেলা: যশোর।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.

সর্বাধিক পঠিত

No stories found.
bdnews24
bangla.bdnews24.com