অবশ্য ম্যাচজুড়ে যেভাবে আক্রমণ করেছে পিডব্লিউডি স্পোর্টস ক্লাব, তাতে হতাশার পাল্লা আরও ভারি হতে পারত মারুফুল হকের দলের।
Published : 18 Sep 2026, 07:44 PM
মাঠের কোথাও সবুজ, কোথাও ধূসর। কোথাও নতুন করে মাটি ফেলা হয়েছে। এমন মাঠেই আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণে জমে উঠল আবাহনী ও পিডব্লিউডি স্পোর্টস ক্লাবের লড়াই। কিন্তু জালের দেখা পেল না কেউ।
মানিকগঞ্জের শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে শুক্রবার পয়েন্ট ভাগাভাগি করে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ শুরু করল প্রতিযোগিতার রেকর্ড ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী।
গত আসরের রানার্সআপ আবাহনীর বিপক্ষে এই ফল পিডব্লিউডির জন্য অবশ্য বাকি পথচলায় আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বড় উপলক্ষ।
শুরু থেকে দুই দল আক্রমণে উঠলেও প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকতে পারছিল না। পঞ্চদশ মিনিটে আবাহনীর ফরোয়ার্ড আল আমিনের শট অল্পের জন্য যায় পোস্টের বাইরে। চার মিনিট পর এমবিদা ইয়োহা বক্সের ঠিক ওপরে বলে পেয়ে তাড়াহুড়ো করে উড়িয়ে মারেন।
বাকি সময়ে একের পর এক দারুণ সব সেভ করেন আবাহনীর গোলকিপার মেহেদী হাসান প্রীতম। ৩০তম মিনিটে অধিনায়ক মোহাম্মদ রাতুলের ক্রসে এমবিদার হেড ঝাঁপিয়ে কর্নার করে দেন প্রীতম।
দ্বিতীয়ার্ধেও আবাহনীকে চাপে রাখে পিডব্লিউডি। ৪৮তম মিনিটে ফ্লয়ডিন বালোকির বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া সাইড ভলি দারুণ ক্ষিপ্রতায় ফেরান প্রীতম। ৬৫তম মিনিটে ডিফেন্ডারের বাধা এড়িয়ে মোহাম্মদ স্বাধীনের শট এক হাতের প্রচেষ্টায় ক্রসবারের উপর দিয়ে বের করে দেন তিনি।
শেষ দিকে সুযোগ পায় আবাহনী। ৭৯তম মিনিটে দূরূহ কোণ থেকে মিরাজুলে ইসলামের শট লক্ষ্যে থাকেনি। পরের মিনিটে বক্সে ভালো জায়গায় প্রথম স্পর্শে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে উড়িয়ে মারেন ইমতিয়াজ রায়হান।
২০২৬-২৭ মৌসুমের লিগ শুরুর দিনে হয়েছে আরও চারটি ম্যাচ।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় চট্টগ্রাম সিটিকে ৬-০ গোলে হারিয়ে উড়ন্ত শুরু পেয়েছে ফর্টিস এফসি। পা ওমার বাবু ও নরিকি আকাদা করেছেন জোড়া গোল। বাকি দুই গোলদাতা মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও রাফায়েল টুডু।
বাংলাদেশকে পুলিশ এফসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে রহমগতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটি, সিটিকে ক্লাবকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাব পেয়েছে শুভসূচনা।