প্রশ্ন ও পরামর্শ
পরামর্শ:
জেনেটিক ফ্যাক্টর, শারীরিক ক্রিয়ার অভাব, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি কারণে শিশু মুটিয়ে যেতে পারে। এজন্য বাবা মায়ের সচেতনতা জরুরি। আর শিশুদের জন্য ডায়েট প্ল্যান ও এক্সারসাইজ আছে। তবে একটু সচেতন হলেই এই মুটিয়ে যাওয়ার রোধ করা সম্ভব। শিশু মুটিয়ে গেলে যদি সেটা স্থূলতার পর্যায়ে চলে যায় তাহলে অবশ্যই শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা মেডিকেল টেস্টে নিশ্চিত হওয়া যায়। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাই হচ্ছে প্রথম করণীয়। এছাড়া খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনও জরুরি।
এক্ষেত্রে বাবা মা যা করতে পারেন তা হলো, বাচ্চাকে নিয়মিত মাঠে খেলতে পাঠাতে পারেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা টেলিভিশন দেখা বা মোবাইলে গেইম খেলা বন্ধ করে দিতে হবে।
মা বাবার উচিত জাংকফুডের বদলে ঘরে তৈরি খাবারের প্রতি শিশুদের উৎসাহিত করা। মনে রাখতে হবে জাংক ফুড কখনই স্বাস্থ্যকর নয়, জাংকফুড বিষের মতো ক্ষতিকর। সুতরাং এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। অনেক বাবা মা শিশুকে আদর করে জাংক ফুড খাওয়ান। জেনে রাখা ভালো বাড়ন্ত বয়সের অজুহাতে অতিরিক্ত এবং পুষ্টিগুণহীন খাবার খাওয়াকে প্রশ্রয় দিলে শিশুর স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়বে।
শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি যে বিষয় সেটা হলো শাকসবজি, ফলমূল ও পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। প্রয়োজনে পরিবারের খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যকর করুন, বাচ্চারা তাদের চারপাশ থেকেই শেখে। বাবা-মা, ভাইবোন সবাই নিয়মিত শরীরচর্চা বা খেলাধুলায় অংশ নিন, তাতে সবাই যেমন সুস্থ থাকবেন তেমনি শিশুও স্থূলতা থেকে বাঁচবে।
পরামর্শ দাতা:

খান এহসান জিওন

ফিটনেস নিউট্রিশন কোচ