বিশ্বজুড়ে

মেহেদী হাসান (১৬), বরিশাল

Published: 2018-02-17 21:25:19.0 BdST Updated: 2018-02-18 17:57:45.0 BdST

শিশুদের ক্যান্সারের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি রোধে আন্তর্জাতিক শিশু ক্যান্সার দিবস, আন্তজার্তিক সচেতনতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের (আইএআরসি) তথ্যমতে, বিশ্বব্যাপী শিশুদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে।

আইএআরসির প্রতিবেদনে, শিশু ক্যান্সার দিবস এমন একটি দিন, যেদিন সবাই মিলে শিশুর যত্ন ও শিশু ক্যান্সারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় গুরুত্ব তৈরিতে কাজ করে থাকে।

বিশ্বব্যাপী শিশু ও কিশোরদের ক্যান্সার, অন্য সংক্রামক রোগের চেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ফেলছে এবং এটিকে শিশুমৃত্যুর সর্বোচ্চ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রতি বছর ১৪ বছর বয়সী এক লাখ ৬৫ হাজার এবং ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী ৮৫ হাজার শিশু ক্যান্সারে অক্রান্ত হচ্ছে। তবে বেশিরভাগ দেশই শিশুদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পরিসংখ্যান রাখে না তাই অনেকেই গণনার বাইরেই থেকে যায়।    

শিশু ক্যান্সার দিবস প্রচারের মূল লক্ষ্য হলো, স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশ, যেখানে ৮০ ভাগ শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে, সেখানে শিশুদের ক্যান্সারের চিকিৎসা ও যত্ন নেওয়ার জন্য সকলকে সচেতন করা।  

আফ্রিকা, এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকা এবং পূর্ব ও দক্ষিণ ইউরোপের শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্যান্সারের প্রয়োজনীয় ঔষধ এবং বিশেষ যত্নসহ যথাযথ চিকিৎসা সেবার সুবিধা নাই, ফলে তারা শৈশবে ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকে।  

জর্দানের রাজকুমারী ও আন্তর্জাতিক ক্যান্সার নিয়ন্ত্রন সংস্থার (ইউআইসিসি) সভাপতি ডিনা মায়ার্ড জানান, শিশু ক্যান্সার ভীতিকর তেমন কিছু নয়। যদি উপলব্ধি করা যায়; এটি একটি দুর্ঘটনা, রোগমুক্তির জন্য বদলাতে হবে, তাহলে বেঁচে থাকার সুযোগ আসবে।

আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসা সেবার মাধমে ভাল করার সুযোগ যদি থাকে, তার চেয়ে চমৎকার আর কিছুই নেই বলেও জানান ডিনা।

 শৈশবে তিনি নিজেও ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।  

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৬ জুলাই, ২০১৭-র টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং গ্লোবাল হেলথ টেকনোলজি, ২০৩০ সালের মধ্যে শিশুমৃত্যুহার ৩০ ভাগে নামিয়ে আনা, অসংক্রামক রোগ ও চিকিৎসাসেবা এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য শিশু ক্যান্সার একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় বলে ১৫ ফেব্রুয়ারিকে বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।

আন্তর্জাতিক শিশু ক্যান্সার দিবসে, সদস্য দেশগুলির বন্ধন দৃঢ় করে এর প্রকোপ কমিয়ে শিশুদের একটি নির্মল সুন্দর জীবন উপহার দেয়া যায়।

 

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত