অন্য চোখে

মধূপর্ণা ধর গুপ্ত শ্রেষ্ঠা (১৩), নেত্রকোণা

Published: 2019-01-27 20:40:47.0 BdST Updated: 2019-01-27 20:43:23.0 BdST

একযুগেরও বেশি সময় ধরে নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন শিক্ষক আব্দুল মজিদ তালুকদার। এলাকায় একটি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করে শিক্ষামূখী করেছেন ছেলেমেয়েদের।

জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার দুর্গম এলাকা গাগলাজুর। নেত্রকোণার সীমান্ত এই এলাকাটি সুনামগঞ্জের লাগোয়া। এখানে প্রাথমিকের স্কুল থাকলেও সাত কিলোমিটারের মধ্যে ছিল না কোনো উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়েই থেমে যেত অধিকাংশ শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন।

২০০৫ সালে আব্দুল মজিদ তালুকদার নিজের ও পরিবারে সদস্যদের জমিতে এলাকার মানুষদের সহযোগিতায় গাগলাজুর বাজারে গড়ে তোলেন ভাটি বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়।

স্কুলটিতে সুনামগঞ্জের পাঁচটি গ্রাম ও নেত্রকোণার সাতটি গ্রামের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করছে।

স্থানীয়রা বলেন, মজিদ তালুকদার স্কুলটি স্থাপন করায় ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ার সুযোগ পেয়েছে। বিশেষ করে নারী শিক্ষা প্রসারে এর ভূমিকা অনন্য।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওয়ালিউল্লাহ বলেন, শিক্ষা বিস্তারে আব্দুল মজিদ তালুকদারের ভূমিকাকে অনন্য। এতে করে এলাকায় কমছে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা।

৭৮ বছর বয়সী শিক্ষক মজিদ তালুকদার বলেন, এলাকার ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে দিতে, শিক্ষামুখী করতে দান অনুদানে  স্কুলটি চালাচ্ছেন।

তিনি বলেন, “জীবনের শেষ স্বপ্ন স্কুলটিকে কলেজে উন্নীত করা।”

বর্তমানে স্কুলটিতে  সাড়ে তিনশ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। এত শিক্ষার্থীর জায়গা দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • রেলক্রসিংয়ের নারী গেটম্যানের গল্প

    নগরীর ভদ্রা রেলক্রসিংয়ে লাল-সবুজ রঙের দুটো পতাকা হাতে নিয়ে ছুটোছুটি করছেন তানজিলা খাতুন। বয়স কুড়ি পেরোয়নি। কিন্তু কাজের মাধ্যমে তিনি বয়সকে ছাড়িয়ে গেছেন।

  • তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে ঝালকাঠির শিশুরা (ভিডিওসহ)

    মাত্র একদিনের বিরাম দিয়েই আবারও কাঠফাঁটা রোদ আর তীব্র তাপদাহে পুড়ছে দক্ষিণ জনপদ ঝালকাঠি। জেলা জুড়ে অসহনীয় গরমে মানুষজন অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বাড়তি চাপে হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েই চলছে, অনেকের ঠাঁই হচ্ছে মেঝেতে।

  • পড়ার খরচ চালাতে বাদলের সংগ্রাম

    সপ্তাহ জুড়ে তার কোনো ছুটি নেই। সপ্তাহের ছয় দিন যায় বিদ্যালয়ে। ছুটির দিনে যায় ইট-বালুর গোলাতে। সেখানে কাজ না করলে বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে তার। পড়াশোনার খরচ চালাতে কাজে নেমেছে সে।