খবরাখবর

শেখ নাসির উদ্দিন (১৬), টাঙ্গাইল

Published: 2018-12-02 18:08:36.0 BdST Updated: 2018-12-02 18:08:36.0 BdST

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কদমতলি হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ৩০ বছর ধরে গবাদি পশুর হাট বসছে।

জানা যায়, ১৯৮৬ সাল থেকে বিদ্যালয় মাঠে সপ্তাহের রোববার পশুর হাট বসা শুরু হয়। এতে করে শিক্ষার পরিবেশ ব্যহত হয় বলে অভিযোগ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের।

বিদ্যালয়ের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, মাঠজুড়ে গরু ছাগলের বর্জ্য, গর্ত, নালা-নর্দমাও রয়েছে।

বিদ্যালয়টির নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আসাদ হ্যালোকে বলে, "মাঠের মধ্যে কাদা থাকায় আমরা খেলাধুলা করতে পারি না। স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতেই কষ্ট হয়।”

দশম শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী  সানোয়ার হোসেন সানি বলে,"কাদা ও গোবরের দুর্গন্ধে ক্লাসে থাকা খুব কঠিন। অনেক সময় পশু শ্রেণি কক্ষের বারান্দায় রাখা হয়। কিন্তু পশুর গোবর ও আবর্জনা ঠিকমতো পরিষ্কার করে না।”

একজন অভিভাবক বলেন, "এই এলাকার সবচেয়ে বড় পশুর হাট স্কুল মাঠে বসে।

“যে কারণে অনেক গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া ওই হাটে কেনাবেচা হয়। এ কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশেও বাধার সৃষ্টি হচ্ছে।”

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, “৩০ বছর ধরে বিদ্যালয় মাঠে নিয়মিত পশুর হাট বসছে।

“হাট স্থানান্তরের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর ২০১৫ সালে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু বিষয়টির কোনো অগ্রগতি হয়নি।”

ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ বলেন, “স্কুল মাঠে হাট বসানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • রেলক্রসিংয়ের নারী গেটম্যানের গল্প

    নগরীর ভদ্রা রেলক্রসিংয়ে লাল-সবুজ রঙের দুটো পতাকা হাতে নিয়ে ছুটোছুটি করছেন তানজিলা খাতুন। বয়স কুড়ি পেরোয়নি। কিন্তু কাজের মাধ্যমে তিনি বয়সকে ছাড়িয়ে গেছেন।

  • তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে ঝালকাঠির শিশুরা (ভিডিওসহ)

    মাত্র একদিনের বিরাম দিয়েই আবারও কাঠফাঁটা রোদ আর তীব্র তাপদাহে পুড়ছে দক্ষিণ জনপদ ঝালকাঠি। জেলা জুড়ে অসহনীয় গরমে মানুষজন অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বাড়তি চাপে হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েই চলছে, অনেকের ঠাঁই হচ্ছে মেঝেতে।

  • পড়ার খরচ চালাতে বাদলের সংগ্রাম

    সপ্তাহ জুড়ে তার কোনো ছুটি নেই। সপ্তাহের ছয় দিন যায় বিদ্যালয়ে। ছুটির দিনে যায় ইট-বালুর গোলাতে। সেখানে কাজ না করলে বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে তার। পড়াশোনার খরচ চালাতে কাজে নেমেছে সে।