খবরাখবর

নাওয়ার সালসাবিল দুর্দানা (১৫), শেরপুর 

Published: 2018-06-12 22:16:27.0 BdST Updated: 2018-06-12 22:16:27.0 BdST

ঈদ দোরগোড়ায়। শেরপুরে জমে উঠেছে ঈদ বাজার, দোকানে দোকানে ক্রেতার ভিড়। বেচা-বিক্রি নিয়ে ব্যবসায়ীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বরাবরের মত এ বছরও শেরপুরে মার্কেটে ভারতীয় পোশাকের বেশ চাহিদা। নানা রকম ডিজাইন আর হিন্দি সিনেমার নাম অনুসারে ঝুলছে ভারতীয় পোশাক।

ভালো নকশা না থাকার কারণে দেশি পোশাকের চাহিদা খুবই কম বলছেন দোকানিরা।

এ বছর মেয়েদের জন্য দোকানিরা এনেছেন বাজিরাও মাস্তানি, বাগি ড্রেস, সামপুরা, লং কোটি, মাসাককালী, ওয়াইফাই, ক্যাকটাস, থ্রি ডি, বিভা, বিশাল, লকনা, আশিকী, পাখি, ফ্লোরটাচ, জয়পুরী, মাস্তানীয়া, সুইস লন, কান্দী ভাঙ্গা, কাশিশ, ভিনয়।

গত বছরের কিরণমালা, মধুমালা, মায়াপরী, পাকিস্তানি লনসহ বিভিন্ন নামের থ্রিপিস ও ফোর পিস পোশাকও ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে বলে জানান তারা।

ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের ত্রি-পিস দেড় হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ছেলেদের কালার ফুল শার্ট, চেক শার্ট, এক কালার শার্ট, জিন্স ও গ্যাবার্ডিন প্যান্টের পাশাপাশি বাহারী ডিজাইনের পাঞ্জাবি পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

বিক্রেতা মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, “প্রতিটি পোশাকই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। বিক্রি ভাল হওয়ায় মালিকও সন্তুষ্ট রয়েছেন।

“প্রথম দফায় আনা পোশাক বিক্রি প্রায় শেষ।”

কল্পনা শপিং মলের সাগর বলেন, “দেশীয় পোশাকের চেয়ে ভারতীয় পোশাক বেশি পছন্দ করছে মেয়েরা। ঈদের পোশাকে শিশুদের সাড়া অনেক বেশি।”

হাসান এন্টারপ্রাইজের জাহিদুল হাসান জানান সাত বছর বয়সী পর্যন্ত শিশুদের পোশাক বিক্রি করছেন তিনি।

তার দোকানে এক টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা দামের পোশাক রয়েছে। পণ্যের দাম গত বছরের চেয়ে একটু বেশি। তবে, গত বছরের দাম ধরে রাখার চেষ্টার কারণে তার দোকানে বিক্রি ভালো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

 

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত