প্রশ্ন ও পরামর্শ
পরামর্শ:
সঙ্গীত শেখার বা কণ্ঠশিল্পী হওয়ার জন্য সবার আগে জরুরি, গান শোনা বা সুরের দিকে মনোযোগ দেওয়া। প্রচুর গান শুনতে হবে। প্রতিদিনের জীবনে খাওয়া-দাওয়া বা অন্য যে কোনো আবশ্যিক ও প্রাত্যহিক কাজের মতো গানের বা সুর সাধনার জন্য সময় রাখতেই হবে।

এখন যারা ছোট এবং গান শিখছে তারা পরীক্ষা বা অন্য কোনো কাজের জন্য গান শেখা বা রেওয়াজ করাটা কিছুদিনের জন্য বাকি রাখে। অভিভাবক সে সময়টা গান-বাজনা ইত্যাদি বন্ধ রাখতে বলেন। কিন্তু এটা করা ঠিক নয়। এটা একটা সাধনা। আর যে কোনো সাধনাতেই বিচ্যুতির জায়গা নাই।

আমার পরিবারে পরীক্ষার জন্য গান গাইতে কোনো বাধা ছিল না। যে কোনো অবস্থাতেই সুরের প্রতি যে নিষ্ঠা তার প্রতিফলন থাকতে হবে রোজকার জীবনে। প্রত্যেকদিন সঙ্গীত চর্চা করার কোনো বিকল্প নাই।

সুর বা সঙ্গীতে তালিম নেওয়ার জন্য একজন গুরু থাকলে খুব ভালো। গুরুকে অবশ্যই শিষ্যের প্রতি সৎ থাকতে হবে। শিষ্যের ক্ষমতা অনুযায়ী তাকে সবটুকু দেবার সহিষ্ণুতা থাকতে হবে। আর শিষ্যের থাকবে সঙ্গীতের প্রতি ভালোবাসা ও একাগ্রতা আর গুরুর প্রতি ভক্তি। কারণ সঙ্গীত গুরুমুখী বিদ্যা।
পরামর্শ দাতা:

এন্ড্রু কিশোর

কণ্ঠশিল্পী