বিশ্বজুড়ে

মুহাম্মাদ শরিফুজ্জামান বাপ্পি (১৫), রাজশাহী

Published: 2019-06-30 16:39:48.0 BdST Updated: 2019-06-30 18:57:19.0 BdST

বংশগত পরম্পরা থেকে নয়, মৌমাছির প্রতি ভালোবাসা অর্চিকে মধু চাষের দিকে প্রভাবিত করে।

বলছিলাম অর্চি গ্রিডল্যান্ড নামের এক শিশুর কথা। ২০১৪ সালে দক্ষিণ ইংল্যান্ডের গিল্ডফোর্ড শহরের সারে এলাকায় অর্চি জন্মগ্রহণ করে। অর্চি মা-বাবার ডানপিটে সন্তান।

তার দাদীমা লরাইন রাগস গিল্ডফোর্ড শহরের মধু পালন বিষয়ক একজন প্রশিক্ষক। অর্চি তার দাদীমার কাছ থেকেই মধু পালনের ওপর যাবতীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।

পরিবারসূত্রে জানা যায়, দুইবছর বয়সে অর্চিকে একটা মৌমাছি কামড় দেয়। সাহসী অর্চি এতে বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে মৌমাছির প্রতি কৌতূহলী হয়ে পড়ে।

অর্চির খামারে প্রায় ৬০ হাজার মৌমাছি রয়েছে। যা থেকে বছরে প্রায় ৫০ কেজি মধু সংগ্রহ করা সম্ভব। পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে তারা এই মধু বয়ামজাত করে বাজারে বিক্রি করে।

অর্চির জীবনে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো, কিছুদিন আগে 'ব্রিটিশ বিকিপিং এসোসিয়েশন' তাকে মধু খামারি হিসেবে সার্টিফিকেট প্রদান করেছে। সংস্থাটি তিনমাস ধরে তার সকল কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে। পরে তার কার্যক্রমে মুগ্ধ হয়ে তারা অর্চিকে 'এপিকালচার কোয়ালিফিকেশন সার্টিফিকেট' প্রদান করে।

দারুণ খুশি অর্চি গণমাধ্যমকে বলে, 'প্রথম ধাপে উত্তীর্ণ হয়েছি, এখন আমাকে দ্বিতীয় ধাপে উত্তীর্ণ হতে হবে। সেজন্যেই মধু চাষে মনোনিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো পরিকল্পনা নেই।'

অর্চি আরো বলে, 'পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মৌমাছির উপকারিতা অনেক। কারণ তারা পরাগায়ণের মাধ্যমে ফল-ফুল ও খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়।'

পাঁচবছর বয়সী অর্চি কাজের মাধ্যমে ছাড়িয়ে গেছে তার বয়সকে। সে জানায়, সে একজন সফল মধুচাষী হতে চায়।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত