অন্য চোখে

গার্গী তনুশ্রী পাল (১১), ধী অরণি পাল (৮), ঢাকা

Published: 2020-05-10 13:41:42.0 BdST Updated: 2020-05-10 13:43:35.0 BdST

“মা কথাটি ছোট্ট অতি,
কিন্তু যেন ভাই,
ইহার চেয়ে নামটি মধুর,
ত্রিভুবনে নাই।”

কিংবা When pain and sickness made me cry, Who gazed upon my heavy eye, And wept for fear that I should die? My Mother … এ ভাবেই যুগ যুগ ধরে মায়ের প্রতি জানানো হয়েছে শ্রদ্ধা। অতুলনীয় মায়ের ভালোবাসাকে স্মরণ করতে, তার প্রতি কর্তব্য উপলব্ধি করতেই যেন আজকের মা দিবস।

মা সে যাই হোক না কেন প্রতিটি মানুষের জীবনেই মায়ের জন্য রয়েছে আলাদা স্থান, অনেক ভালোবাসা।

তপতি মিশ্র একজন কর্মজীবী মা। রোজ সকালে ঘড়ি ধরে তাকে অফিসে যেতে হয়। ব্যস্ত অফিসে কখনো যদি ফুসরত মেলে তবেই নিতে পারেন সন্তানের খবর। কিন্তু বাসায় ফিরলে কিংবা ছুটির দিনে তার ভাবনা আর কাজে শুধুই মেয়েরা।

হ্যালোর সাথে এক আলাপচারিতায় তপতি বলেন, “আমাদের চিন্তা চেতনায় অনেক পরিবর্তন এসেছে, আমরা সবাই ব্যস্ত; কিন্তু এক জায়গায় কোনোই পরিবর্তন হয়নি, আর তা হলো আমরা সবাই মাকে খুব ভালোবাসি।”

মা ভালোবাসা নিও!

তপতি মিশ্রের মেয়ে ধী বলে, “আমি চাই মা আমাকে স্কুলে নিয়ে যাক, কিন্তু মা ব্যস্ত থাকেন। উনি বাড়ি ফিরলে আমার খুব ভালো লাগে।“

হ্যালোকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় মাকে ভালোবাসার কথা জানায় রাজদ্বীপ নামের আরেক শিশু।

রাজদ্বীপের মা মণি পাল বলেন, “সারাদিন ওদের নিয়েই ব্যস্ত থাকি, তারপরও ভালো লাগে, ভালোবাসি আমার সন্তানদের। আর আমার মাকেও মনে পড়ে খুব।”

হ্যালোকে পাঠানো আরেক ভিডিও বার্তায় সোনিয়া হাসান নামের আরেক মা জানান তার মা ও সন্তানকে নিয়ে অনুভূতির কথা।

সত্যিই, মায়ের মতো মিষ্টি স্নিগ্ধ অনুভূতি আর কিছুতেই হয় না। তাই তো মায়ের ভালোবাসাকে স্মরণ করতে, তার প্রতি দায়িত্ব কর্তব্য উপলব্ধি করতেই আমরা মা দিবস পালন করি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চিন্তা, চেতনা, কর্মব্যস্ততায় অনেক পার্থক্য এসেছে কিন্তু এক জায়গায় কোনো পরিবর্তন হয়নি, আর তা হলো মায়ের প্রতি ভালোবাসা।

তবে যখন খবরের কাগজে বৃদ্ধ মাকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার খবর পড়ি তখন চোখ ছলছল করে ওঠে। মায়ের প্রতি এমন অবহেলা না হোক, বরং সবাই মায়ের যত্ন নিক আরও বেশি, আরো ভালোবাসুক জন্মদাত্রীকে- এই হোক এবারের মা দিবসের অঙ্গিকার।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত