মানুষের আত্মিক উন্নয়ন প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী (ভিডিওসহ) - hello
খবরাখবর

শেখ তানজিলা রহমান চৌধুরী (১৬), ঢাকা

Published: 2021-01-24 14:55:06.0 BdST Updated: 2021-01-24 15:47:49.0 BdST

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, মানুষের আত্মিক উন্নয়ন প্রয়োজন। সেটি গড়ে তোলার উপযুক্ত বয়স হচ্ছে শিশু-কৈশোর।

বুধবার হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের অনলাইন ইয়ুথ কনগ্রিগেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, “আমরা একটি উন্নত বাংলাদেশ রচনার কথা বলি। একটি উন্নত বাংলাদেশ রচনা করতে চাই। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ রচনা করতে চাই। ২০৪১ সাল নাগাদ একটি উন্নত দেশ রচনা করতে চাই। কিন্তু শুধু বস্তুগত উন্নয়ন দিয়ে উন্নত দেশ গঠন করা সম্ভব হয়। শুধু মাত্র পুঁথিগত উন্নয়ন দিয়ে মানুষের মৌলিক উৎকর্ষকতা সাধন করা হয় না। এজন্য মানুষের আত্মিক উন্নয়ন প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “সে আত্মিক উন্নয়নের উপযুক্ত বয়স হচ্ছে শিশু বয়স-কৈশোর। তাদের সেই বয়স থেকেই গড়ে তুলতে হয়।”

শিশুদের গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের যেমন ভূমিকা আছে তেমনই রাষ্ট্রের ভূমিকা আছে জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘আমাদের গণমাধ্যমের যেমন ভূমিকা আছে তেমনই রাষ্ট্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে দায়িত্বে আছেন তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে গণমাধ্যমে ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘‘এই শিশুদের দিয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন এবং তাদের সাংবাদিকতায় উদ্বুদ্ধ করা অর্থাৎ তারা যে এই বয়সে লেখালেখিতে নিমজ্জিত হয়েছে। লেখালেখি যে শুরু করেছে। আজকের এই দিনে এই দুনিয়াতে আজকের পৃথিবীর বাস্তবতায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ আপনার করছেন বিডিনিউজের পক্ষ থেকে।’’

হাছান মাহমুদ তার বক্তব্যে আরও বলেন, “আজকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যে প্রচণ্ড আসক্তি আমি বলব যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যে সর্বনাশী থাবা সেটি কিন্তু আমাদের শিশু কিশোরদেরকে তাদের স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠার ক্ষেত্রে অনেকখানি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জন্য যেমনি অনেক সুবিধা বয়ে এনেছে, অনেক সুযোগ যেমন তৈরি করেছে, একই সাথে এটি শিশু কিশোরদের মাঝে অতিরিক্ত আসক্তি এবং স্বাভাবিক মননের বিকাশের ক্ষেত্রে সেটি অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।”

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “এখন শিশু কিশোররা আগের মতো বই পড়ে না। শিশু কিশোররা আগের মতো লেখালেখি করে না। তো সেটি থেকে তাদেরকে বের করে এনে তাদের সাংবাদিকতা শেখানো, আমি এটাকে আন্তরিকভাবে বিডিনিউজকে ধন্যবাদ জানাই।”

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত