খবরাখবর

রাফসান নিঝুম (১৭), ঢাকা

Published: 2020-03-21 21:46:37.0 BdST Updated: 2020-03-21 21:55:03.0 BdST

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই সচেতন রয়েছেন। সচেতনতা নিয়ে অনেকেই কথা বলেছেন হ্যালোর ক্যামেরায়।

মাস্ক, স্যাভলন, হেক্সিসলসহ নানা ধরণের পরিষ্কারকরক দ্রব্যাদি বিক্রির হিড়িক ছুটেছে পুরো দেশ জুড়েই। রাস্তায় যারা বের হচ্ছেন তাদের অনেকের মুখেই দেখা যাচ্ছে মাস্ক।

পথচারী মোমেনুল ইসলাম বলেন, “সচেতনতা বলতে ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে। হাঁচি-কাশি হলে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ভিড় এলাকাতে বা বাসে উঠলে মুখে মাস্ক পরা ভালো। কে কখন হাঁচি দিয়ে ফেলে তা কে জানে।”

গৃহিনী শাহানা আখতার বলেন, “বাচ্চাদের নিয়ে তো খুবই আতঙ্কে আছি। বাসায় থাকলে তো হাত ধোঁয়াতে পারি নিয়মিত। কিন্ত বাইরে গেলে!”

রিকশাওয়ালা মানিক মিয়া বলেন, “মানুষ যদি একটু সচেতন থাকে তাহলে প্রতিরোধ করা যাবে হয়তো। এটা অনেকটা ছোঁয়াছুঁয়ি তবে মনে হয় মাস্ক পড়লে একটু সুরক্ষা হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ফারদিন এহসান বলেন, “অনলি মাস্ক ইজ নট এনাফ। মাস্ক পড়লেই যে সুস্থ হয়ে যাবে বা সুস্থ থাকবে ব্যপারটা তেমন নয়। সাধারণ নিয়মকানুন গুলো মেনে চলাটা জরুরি।”

মাস্ক পরিহিত শিশু আরমান বলে, “মাস্ক পরেছি যাতে করোনাভাইরাস না হয় তাই।”

তবে এই মুহূর্তে এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীর।

এই প্রসঙ্গে মোমেনুল ইসলাম বলেন, “এখন তো প্রয়োজনের সাথে সাথে চাহিদা বেড়েই চলেছে। আগে তো মাস্কে এত গুরুত্বই ছিল।”

জনসমাগম এড়িয়ে চলা, সুস্থ থাকার স্বাভাবিক নিয়ম কানুন মেনে চলাসহ নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতনতাই পারে করোনাভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে, এমনটাই মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত