খবরাখবর

অনিন্দ্য পাল চৌধুরী (১৭), নেত্রকোণা

Published: 2018-06-21 18:42:59.0 BdST Updated: 2018-06-21 19:29:11.0 BdST

আগের মতো লোকজ শিল্পের কদর না থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন নেত্রকোণার শিল্পীরা।

এ ব্যাপারে হ্যালোর সঙ্গে কথা হয় কয়েক জন লোকজ শিল্পীর।

তারা জানান, ৮০-র দশকে অনেক খ্যাতি থাকলেও বর্তমানে তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা।

বাউল ইসলাম উদ্দিন বলেন, “জেলার সাংস্কৃতিক ধারায় লোকজ ধারাটিই অন্যতম। এই ধারাটিকে টিকিয়ে রাখতে হবে।”

হাওরাঞ্চলের মানুষের ইরি-বোরো ফসল ঘরে তোলার পর বর্ষায় কাজ না থাকায় এসব পালাগান অনুষ্ঠিত হতো বলে জানান তিনি।

নেত্রকোণা পর্যটন উন্নয়ন জোটের সদস্য সচিব তপন সাহা জানান, মৈমনসিংহ গীতিকার মহুয়া, মলুয়া, ভাটি বাংলার গানের স্বকীয়তায় বরাবরই উজ্জ্বল ছিল নেত্রকোণা।  গ্রামে গ্রামে জারি, কিচ্ছা, ধামাইল, বাউল, গাজীর গীতসহ ঘেটু গানের জমজমাট আসর বসত।

তিনি বলেন, “লোকজ শিল্পীরা এসব আসরে গান গেয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু দেড় থেকে দুই দশকের ব্যবধানে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে লোকজ এই ধারাটি হারিয়ে গেছে।”

এই লোকজ সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে ও আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত