খবরাখবর

শেখ নাসির উদ্দিন (১৫), টাঙ্গাইল

Published: 2017-10-09 20:50:25.0 BdST Updated: 2017-10-09 20:56:56.0 BdST

টাঙ্গাইলের কালিহাতীর একটি সরকারি প্রাথমিকে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার বাঁশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি শ্রেণিকক্ষে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, তিনটি শ্রেণিকক্ষের ভেতর থাকা সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফাউল ইমরান হ্যালোকে বলেন, “কয়েক দিন পর আমাদের সমাপনী পরীক্ষা। এখন নিচে বসে ক্লাস করতে হবে।"

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইসা আক্তার বলেন, "ভয়ে স্কুলে যাইনি। যদি আবার আমাদের কিছু করে বসে।"

অভিভাবক আব্দুর রহিম বলেন, “ওরা মানুষ কি না তাও সন্দেহ হয়। ছোট বাচ্চাদের স্কুল কেউ পুড়িয়ে দেয়, পোলাপান নিয়া চিন্তায় আছি।”

দ্বিতীয় শ্রেণির রশিদ বলে, “যারা স্কুল পুড়িয়ে দিয়েছে তাদের শাস্তি চাই।"

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ডা. হাছেন আলী বলেন, “বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বাঁশী গ্রামের কিছু ব্যক্তি বিদ্যালয়ের জায়গা নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময় বিদ্যালয়ের সম্পদের ক্ষতি করে আসছে।”

বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুল জলিল বলেন, “গ্রামের একটি পক্ষ বিদ্যালয়ের জায়গা জোরপূর্বক দখল করে রাখতে চেয়েছিল। জায়গা দখলে না নিতে পেরে তারা বিদ্যালয়ের ক্ষতি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছা. জায়েদা খাতুন বলেন, “এটি একটি নিন্দনীয় ঘটনা। এ ঘটনার সাথে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।"

কালিহাতী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শামসুল হক বলেন, “বিদ্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি আমি শুনেছি। এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনার সাথে যারাই জড়িত থাকুক তাদের কঠিন শাস্তি দাবি করছি।”

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • ইংরেজির বড়াই

    ‘আগে চাই বাংলা ভাষার গাঁথুনি, তারপর ইংরেজি ভাষার পত্তন’ বলেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রত্যেক দেশের মানুষেরেই একটি নির্দিষ্ট ভাষা রয়েছে, নির্দিষ্ট সংস্কৃতি রয়েছে। তবে আজ আমরা অনেকেই আমাদের ভাষা, সংস্কৃতিকে ভুলতে বসেছি। বর্তমানে নিজ দেশের সংস্কৃতি ও ভাষার তুলনায় আমরা অন্য দেশের ভাষা ও সংস্কৃতি মেনে চলতে বেশি ভালোবাসি, স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি!

  • মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে নাই যুদ্ধ সরঞ্জাম (ভিডিওসহ)

    চার বছর আগে টাঙ্গাইলে যুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ করতে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স তৈরি করা হলেও সেখানে এখনও ঠাই পায়নি কোনো স্মৃতি বা যুদ্ধ সরঞ্জাম।

  • ফুটবল নিয়ে কুরুক্ষেত্র 

    খেলা বিনোদনের সেরা মাধ্যম। আমরা চার বছর অন্তর অন্তর ফিফার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকি।