খবরাখবর

সজিবুল হাসান (১৭), মানিকগঞ্জ

Published: 2017-04-18 21:17:08.0 BdST Updated: 2017-04-18 21:17:08.0 BdST

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার কাঐবিল গ্রামের পুরাতন এক বটগাছকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের মতো এবারও দুইদিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা হয়েছে।

প্রতি বছর পয়লা ও দোসরা বৈশাখে কাঐবিল গ্রামের বটতলায় এ মেলা বসে।

ঠিক কবে থেকে কাঐবিল বটগাছ তলায় এই বৈশাখী মেলা বসে তা কারও জানা নেই। তবে প্রাচীনকাল থেকেই এ মেলার প্রচলন বলে ধারণা স্থানীয়দের।

মেলায় প্রায় চার দশক ধরে ঝাল চানাচুর বিক্রি করেন রহিজ উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘আমার জন্মের পর থেকেই এই মেলা দেখে আসতেছি। আমার বাপ দাদারাও দেখে আসছেন। তারাও বলতে পারেননি এই মেলা কবে থেকে শুরু হয়েছে।’

মাটির হাড়ি পাতিল, পুতুল, খেলনা, থেকে শুরু করে মুড়ী, মুড়কি, বিন্নি ধানের খৈ, মিষ্টি বাতাসা, গৃহস্থালির জিনিসপত্র, সাজ সরঞ্জাম এমনকি বাদ্যযন্ত্রের পসরাও বসে এই মেলায়।

মেলায় কেনাকাটা করতে আসা মানুষের ভিড় ছিল উপচে পড়ার মতো। বেচাকেনাও ছিল জমজমাট।

‌‌শিবালয় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের লোকজন সারা বছর অপেক্ষায় থাকেন এই মেলার জন্য। তাদের প্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্রের তালিকাও তৈরি হয় এই মেলাকে ঘিরে।

মেলায় ঘুরতে আসা তছলিম মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘মেলা থেকে গৃহস্থালির অনেক জিনিসপত্র কিনতে হয়। তাই মেলার জন্য সারা বছর অপেক্ষায় থাকি।’

মেলা থেকে কুলা, পিঁড়ি, পাখা, ও মাটির পাতিল কিনেছেন তিনি।

‌বাবার সাথে মেলায় ঘুরতে এসেছে স্বাধীন নামের এক শিশু। মেলা থেকে একটি খেলনা গাড়ি কিনে অনেক খুশি ও।

কথা হলে স্বাধীন বলে, ‘মেলা থেকে ভেকু (মাটি কাটার খেলনা যন্ত্র) কিনেছি। বাড়ি গিয়ে মাটি কাটব।’

বাঁশি কেনার পর ঢোলের জন্য বায়না করেছে সজল নামের আরেক শিশু।

কথা হলে সজলের বাবা আব্দুল মজিদ বলেন, ‘প্রতি বছর এই মেলা থেকে খেলনা কিনে দেব বলে ছেলেকে আশায় রাখি। তাই যা চায় তাই কিনে দেই।’

এতে ছেলে অনেক খুশি হয় বলে জানান তিনি।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • নোয়াখালীতে নবান্ন উৎসব

    নোয়াখালীতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবান্ন উৎসব উদযাপন করা হয়।

  • রোহিঙ্গাদের জন্য সালমান রুশদি

    নিপীড়নের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন ‘স্যাটার্নিক ভার্সেস’ উপন্যাসের লেখক সালমান রুশদিসহ বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবী।

  • বিদ্যালয় মাঠে বর্গা চাষ

    টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মোহনপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ চাষের কাজে বর্গা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।