খাজা বিক্রি করে মেয়েকে পড়ান বাবা, দেবেন না বাল্যবিয়ে

তিনি বলেন, “অল্প বয়সে কেন বিয়ে দিব? মেয়েদের আরও পড়ালেখা করাব।”
খাজা বিক্রি করে মেয়েকে পড়ান বাবা, দেবেন না বাল্যবিয়ে

তিলের খাজা বিক্রি করে মেয়েকে পড়াশোনা করান কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম। কষ্ট হলেও মেয়েকে বাল্যবিয়ে দেবেন না এই বাবা।

জেলা শহরে কুষ্টিয়া কোর্ট রেলস্টেশনে এই ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয় হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

চোখের জটিলতা নিয়ে জীবন সংগ্রামের কথা বলেন হ্যালোর কাছে। তিনি বলেন, “আমার বয়স যখন সাত বছর তখন আমার এক চোখে সমস্যা দেখা দেয়। ভারতে গিয়েও চিকিৎসা নিয়েছি কিন্তু গত রমজানে চোখটি একেবারে নষ্ট হয়ে যায়।”

রেজাউল ইসলাম জানান, এক সময় ঔষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন তিনি। চোখের সমস্যার কারণে সে চাকরি ছাড়তে হয়।

এখন তিলের খাজা বিক্রি করে সংসারের খরচ মেটান তিনি।

রেজাউল দুই সন্তানের বাবা। বড় মেয়ের বয়স ১৪ আর ছোট মেয়ের সাত বছর। সংসার চালাতে হিমশিম খেলেও দুই মেয়ের বাল্যবিয়ে দিতে রাজি নন তিনি।

তিনি বলেন, “অল্প বয়সে কেন বিয়ে দিব? মেয়েদের আরও পড়ালেখা করাব।”

তিলের খাজা বিক্রি থেকে দৈনিক দুইশ থেকে আড়াইশো টাকা আয় হয় তার।

প্রতিবেদক: চৈতি আখতার (১৪), সাদমান সাকিব সাফাত, সাবিহা সুলতানা শারমিন (১৫), কুষ্টিয়া।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.

সর্বাধিক পঠিত

No stories found.