প্রযুক্তির ব্যবহার অতিরিক্ত না হোক

একটি খবরে পড়েছিলাম অনেক অল্প বয়সেই শিশুর হাতে এসব প্রযুক্তি তুলে দেওয়ার কারণে শিশু কথা বলা শিখছে দেরিতে।
প্রযুক্তির ব্যবহার অতিরিক্ত না হোক

আমাদের প্রজন্মের অনেকেই এখন প্রযুক্তি নির্ভর। এমনটাই তো হওয়ার কথা, কেননা আমাদের সবকিছুই তো এখন প্রযুক্তি কেন্দ্রিক।

কিন্তু আপত্তিটা এর মাত্রাতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ে। স্মার্টফোন, কম্পিউটার আর যদি তাতে ইন্টারনেট থাকে তাহলে আমরা ঘরে বসেই বিশ্ব ভ্রমণ করে ফেলতে পারি। চাইলে বিভিন্ন দেশের লেখকদের বই পড়তে পারি, নানা তথ্য অনুসন্ধান করতে পারি, ইতিবাচকতা প্রচার করতে পারি ইত্যাদি।

কিন্তু আমাদের অনেকেই বিজ্ঞানের এই আধুনিক আবিষ্কারগুলোকে অপ্রয়োজনীয় কাজে বেশি ব্যবহার করে। কেউ হয়ত সারাদিন শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ক্রল করে, কেউবা নানা গেইম নিয়ে দিনরাত পার করে ফেলে।

এরকম অনেককেই দেখি যারা রাতের বেশির ভাগ সময় ফোনের পেছনে সময় নষ্ট করে। রাতে কম ঘুমিয়ে আবার সকালে ক্লাসে যায়। তখন আর মনযোগ থাকে না। শুধু তাই নয় দিনের পর দিন এভাবে চলতে থাকলে শরীর যে খারাপ হবে তা সহজেই অনুমেয়।

আমাদের প্রজন্ম জন্মের পরই এসব আধুনিকতার সঙ্গে পরিচিত হয়নি। কিন্তু এখন যে শিশুরা জন্ম নিচ্ছে তাদের বোধশক্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মা-বাবা হাতে তুলে দিচ্ছে স্মার্টফোন, ট্যাবের মতো গেজেটগুলো।

সন্তানকে ইউটিউবে কার্টুন দেখে কান্না থামাচ্ছে আবার কখনো তাকে খাওয়াচ্ছে। অনেক শিশুকেই দেখেছি যারা ফোন ছাড়া কিছুই বোঝে না। একটি খবরে পড়েছিলাম অনেক অল্প বয়সেই শিশুর হাতে এসব প্রযুক্তি তুলে দেওয়ার কারণে শিশু কথা বলা শিখছে দেরিতে। আমার মনে হয় এই শিশুরা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে বেড়ে ঊঠবে।

শারীরিক ও মানসিক ও স্বাস্থ্যেওে এর প্রভাব পড়তে পারে। শিশুরা এখন মাঠেও খেলতে চায় না। কোথাও বসে ফোনই যেন তাদের বিনোদনের ভরসা। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে শিশুদের বিকাশ যেমন বাধাগ্রস্ত হবে তেমনি উদ্ভাবনী শক্তিও নষ্ট হবে।

প্রতিবেদকের বয়স: ১৫। জেলা: সিলেট।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.

সর্বাধিক পঠিত

No stories found.
bdnews24
bangla.bdnews24.com