গৌরবের ১৫ উদযাপনে | hello.bdnews24.com
আমার কথা

কে. এম. ইফতেশাম ইসলাম (১১), ঢাকা

Published: 2021-10-24 23:29:26.0 BdST Updated: 2021-10-24 23:58:24.0 BdST

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সঙ্গী হতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।

প্রিয় সংবাদমাধ্যমটিকে সশরীরে শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানাতে আমি বাবার সঙ্গে ঠিক বিকাল ৫টায় পৌঁছে যাই প্রধান কার্যালয়ে। সেখানে গিয়ে দেখা হয় হ্যালোর আরও কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে।

একদিকে বার্তাকক্ষে চলছে নিয়মিত দিনের ব্যস্ততা, অন্যদিকে উদযাপনের সর্বশেষ প্রস্তুতি। একে একে আসছিল  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের কর্মীরা। প্রাক্তনদের অনেকেও যোগ দেয় এই আয়োজনে। পুরো কার্যালয়টি ততক্ষণে মিলনমেলায় রুপ নেয়।

আমরা ফটোসেশনে অংশ নেই। তারপর আমাদেরকে ডাকা হলো সন্ধ্যার নাস্তার জন্য। আপেল, আমড়া, সিঙ্গারা, সমুচা, রসমালাই, মিষ্টি, চটপটি খাই আমরা। ফাঁকে ফাঁকে দেখছিলাম বার্তাকক্ষে কীভাবে কাজ করে। একের পর এক সংবাদ আসছে আর তা পাঠকের জন্য প্রস্তুত হয়ে এখান থেকেই প্রকাশিত হয়। সুতরাং এটি কোনো সাধারণ কক্ষ নয়, খুবই রোমাঞ্চকর মনে হলো আমার কাছে। 

এরপর আমরা অপেক্ষা করতে থাকি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদি ভাইয়ের জন্য। তিনি এসেও গেলেন একটু পরই। এসে প্রথমেই ছবি তুললেন হ্যালোর শিশু সাংবাদিকদের সঙ্গে। 'হ্যালো' লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে আমরা তার সঙ্গে ছবি তুলি। হ্যালোর দপ্তরে যারা কাজ করেন এরপর তারা ছবি তোলেন তৌফিক ভাইয়ের সঙ্গে এবং আমাদের সঙ্গেও।

এছাড়াও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের হেড অব নিউজরুম জাহিদুল কবির ভাইয়া আমাদের সঙ্গে ছবি তোলেন।

এরপর আসে কাঙ্খিত মুহুর্ত, অর্থাৎ কেক কাটার পর্ব। তৌফিক ভাই কেক কাটার আগে আমাদের সকলকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ইতিহাস শোনান। আজ এই পর্যায়ে আসতে কার কার অবদান রয়েছে সবকিছুই তিনি স্মরণ করেন। কেক কাটার ঠিক আগ মুহূর্তে প্রজ্জ্বলিত মোমের দিকে তাকিয়ে তৌফিক ইমরোজ খালিদী ভাই বলেন, “অন্ধকার আসবে, আমরা আলো জ্বেলে দেব।”

মজার ব্যাপার হলো, এদিন হ্যালোর শিশু সাংবাদিক গার্গী তনুশ্রী পালের জন্মদিন ছিল। তাই তাকেও তিনি উইশ করেন। গার্গীকে নিজের সঙ্গে নিয়ে কাটেন কেক। তারপর তিনি কেকে লেখা বার্তা থেকে যার যার নামের অক্ষর খুঁজে বের করে সেটা খাইয়ে দেন। আমাকে ইংরেজি আই অক্ষর খুঁজে বের করে সেটা কেটে দেন। 

সবশেষে অনুষ্ঠিত হয় লটারি। আমি জিততে পারিনি, কিন্তু উপহার পেয়েছি। কারণ সবার জন্যই উপহারের ব্যবস্থা ছিল।  শিশুদের জন্য ছিল বিশেষ কিছু উপহার।  

রাত ১০টায় আমরা সেখান থেকে ফিরে আসি। দিনটি আমার চিরকাল মনে থাকবে।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত