হ্যালোর সঙ্গে এক বছর | hello.bdnews24.com
আমার কথা

ইফতেশাম ইসলাম (১১), ঢাকা

Published: 2021-06-24 16:36:04.0 BdST Updated: 2021-06-24 18:17:05.0 BdST

আমি বিএএফ শাহীন কলেজের তেজগাঁও শাখার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মহামারি করোনাভাইরাসের জন্য যখন স্কুল বন্ধ হয়ে যায় তখন সবার মতো আমিও ঘরবন্দি জীবন কাটাতে শুরু করি। ভাবছিলাম কীভাবে সময়টা কাজে লাগানো যায়।

অনেকেই বলতেন যে আমার মধ্যে সৃজনশীলতা রয়েছে, বিশেষ করে লেখালেখির। আমি যেন এটা কাজে লাগাই।

তাই পড়াশোনার পাশাপাশি লেখালেখির জন্য অনলাইনে একটা প্ল্যাটফর্ম খুঁজতে থাকি। কেননা চার দেয়ালে বন্দি সময় কাটানো বেশ কঠিন মনে হচ্ছিল। 

অনেকেই বলেছিল যে, আমার বয়স অনেক কম হওয়ায় এই বয়সে কোথায় সুযোগ পাব না। কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে নানা ভাবে খুঁজতে থাকি। এভাবেই চলে গেল এক সপ্তাহ। 

এরপর একদিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের মাধ্যমে হ্যালোর সন্ধান পাই। দেখলাম ১৮ বছরের নিচে লিখতে জানে এমন সব শিশুই এখানে লিখে পাঠাতে পারে। দেরি না করে নিবন্ধন করে ফেলি শিশু সাংবাদিকতার জন্য। এই সুযোগ হাতছাড়া করার মতো ছিল না।

এরপর হ্যালো থেকে মেইল আসে একটা, সেখানে হ্যালো সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা ছিল। হ্যালোতে কী কী লেখা যাবে, কী যাবে না, কীভাবে পাঠাতে হবে, ফেইসবুক পাতার লিংকসহ যাবতীয় তথ্য ছিল এখানে। এরপর আসে ফোন কল। এরইমধ্যে আমি সব বুঝে গেছি হ্যালো আমার জন্য কীভাবে সহায়ক হতে পারে। আমিই বা কী করতে পারি।

সেদিন থেকেই হ্যালোর সঙ্গে পথচলা শুরু। এখান থেকে শিখেছি অনেক কিছু। ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি করার অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। হ্যালো না থাকলে সংবাদ তৈরির বিষয়টি শেখা হতো না। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আরো অনেক দিন এভাবেই হ্যালোর সাথে যুক্ত থাকতে পারব। কারণ আমার বয়স এখনো অনেক কম। তবে ১৮ হয়ে গেলেও আমি হ্যালোর সঙ্গেই থাকতে চাই। কারণ হ্যালো আমার পরিবারের মতো হয়ে গেছে।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত