দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের সঙ্গে - hello
আমার কথা

তাহমিদ শাহ্ তামিম (১৭), ঠাকুরগাঁও 

Published: 2021-03-28 21:24:56.0 BdST Updated: 2021-03-28 21:24:56.0 BdST

আমার বাড়ি ঠাকুরগাঁও। কিন্তু পড়ালেখার সূত্রে থাকি রংপুর শহরে। আমি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ি সেখান থেকে একবার বনভোজনে গিয়েছিলাম। যদিও সেটাকে বনভোজন না বলে পার্ক ভজন বলা ভালো।

সবার সম্মতিক্রমে আমরা রংপুর সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে গঙ্গাচড়া উপজেলার গঙ্গীপুরে ভিন্ন জগত নামে একটি পর্যটন কেন্দ্রে যাই।

বনভোজনের দিন আমরা শিক্ষার্থীরা সকাল ৯টায় উপস্থিত হই। আমরা রংপুর থেকে সকাল ৯.৩০টায় বাসে করে রওনা দেই আমাদের গন্তব্যস্থলে। আনুমানিক সকাল ১০.১৮ মিনিটের আমরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যাই।

তারপর সবাই মিলে সকালের খাবার খেয়ে নিই। বন্ধুরা মিলে দল বেঁধে ঘুরতে শুরু করি। এই স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মনোরম পরিবেশ মুগ্ধ করবে যে কাউকে। আমরা যখন গিয়েছিলাম  তখন বেসরকারিভাবে প্রায় একশ একর জমির উপর অবস্থিত এই পর্যটন কেন্দ্রটিতে তেমন কোনো মানুষের আনাগোনা ছিল না।

এই বিনোদন কেন্দ্রটিতে শিশু-কিশোরদের জন্য রয়েছে শিশু কানন, ওয়াটার ওয়েভ, হেলিকপ্টার ফ্লাইং জোন, নাগর দোলা, স্টেশনের রেলগাড়িটাসহ নানা নামের রাইড। এখানেও তেমন ভিড় ছিল না।

ভিন্ন জগতের রয়েছে প্লানেটরিয়াম। এখানে প্রবেশের পর দেখা মিলবে গ্রহ-নক্ষত্রের উপস্থিতি। পৃথিবী সৃষ্টির কারণ ‘বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ’-সম্পর্কে পাওয়া যাবে ধারণা। এছাড়া এখানে আমরা দেখেছি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য স্থাপনা এবং বাঙালি জাতির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণরত ভাস্কর্যস্থাপনা।

এখানে সুইমিং পুলও রয়েছে। সেখানে গোসলও করি আমরা। এরপর দুপুরের খাবার খেয়ে, একটু বিশ্রাম নিই।

কিছুক্ষণ পরই শুরু হয়ে যায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্রীড়া উৎসব। পরবর্তীতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে তাদের হতে পুরষ্কার তুলে দেন শ্রদ্ধের শিক্ষকরা। এরপর ছিল সাংস্কৃতিক আয়োজনও ছিল।

দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি করে বেশ ভালো লেগেছে।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত