আমার দেখা অতিথি পাখি (ভিডিওসহ) - hello
আমার কথা

ধী অরণি পাল (৯), ঢাকা

Published: 2020-12-30 00:13:17.0 BdST Updated: 2020-12-30 00:20:04.0 BdST

শীত আসলেই অতিথি পাখির আগমন ঘটে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রতি বছরের মতো এবারও এসেছে অনেক পাখি। এটাই আমার দেখা প্রথম অতিথি পাখি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকগুলোর দিকে তাকালেই লাল শাপলার সাথে পাখিদের খেলা চোখে পড়ে। কিচির-মিচির শব্দে নিস্তব্ধ চারদিক যেন পেয়েছে প্রাণ।

হিমালয়ের উত্তরের সুদূর সাইবেরিয়া, চীন, মঙ্গোলিয়া, নেপাল প্রভৃতি দেশ থেকে প্রচণ্ড তুষারপাতের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে না পেরে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে শীতের শুরুতেই আসতে শুরু করে এসব পাখি।

অতিথি পাখিদের অধিকাংশই হাঁস জাতীয়। এর মধ্যে পাতি সরালি, পান্তামুখী, পাতারি, পচার্ড, ছোট জিরিয়া, মুরগ্যাধি, গার্গেনি, কোম্বডাক, পাতারী হাঁস, জলকুক্কুট, খয়রা, ফ্লাইফেচার ও কামপাখি প্রধান। এছাড়া লাল গুড়গুটি, নর্দানপিনটেল, কাস্তে চাড়া, কলাই, ছোট নগ, জলপিপি, মানিকজোড়, খঞ্জনা, চিতাটুপি, বামুনিয়া হাঁস, নাকতা, লাল গুড়গুটি, নর্দানপিনটেল ও কাস্তে চাড়া প্রভৃতি নামের হাজার হাজার পাখিও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসে এই ক্যাম্পাসে।

মহামারিতে বন্ধ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী না থাকলেও আশপাশের অনেকেই ভীড় করছেন অতিথি পাখি দেখতে।

ধানমণ্ডি থেকে ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে পাখি দেখতে এসেছেন মনজুরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। তিনি বললেন, প্রতি বছরই তিনি শীতের পাখি দেখতে আসেন। পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনতে তার ভালো লাগে।

পাখির টানে অনেক শিক্ষার্থীও আসছে পাখি দেখতে। আগে ক্যাম্পাসে থেকেই অতিথি পাখি দেখা হতো জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহজাবিন নাফিসার। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় বাসাবো থেকে এসেছেন পাখি দেখতে।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত