আমার কথা

রাবেয়া আশরাফী (১৬), পটুয়াখালী  

Published: 2018-06-18 20:39:31.0 BdST Updated: 2018-06-19 19:24:18.0 BdST

পটুয়াখালী জেলা শহরে রয়েছে তিনটি শিশুপার্ক। তবে সংস্কারের অভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে দুটি। শিশুদের বিনোদনের জন্য নেই কোনো রাইড।

এ পার্ক ছাড়া পটুয়াখালী শহরে শিশুদের জন্য আর কোনো বিনোদনের জায়গাও নেই। ফলে শিশুরা বঞ্চিত হচ্ছে তাদের বিনোদন থেকে।   

শিশু পার্কে শিশুদের আনন্দদানের জন্য যেসব উপকরণ থাকা প্রয়োজন সে সকল উপকরণের কিছুই নাই। খেলার জন্য নেই তেমন কোনো সরঞ্জাম। পটুয়াখালী পৌর শহরে নাই কোনো ভালো বিনোদন পার্ক, নাই তেমন কোনো দর্শনীয় স্থান।  

সাপ্তাহিক ছুটি কিংবা অন্যকোনো ছুটির দিনে পৌরবাসী তাদের ছেলে-মেয়েদের একটু বিনোদনের জন্য কোথাও ঘুরে বেড়াবে এমন মনোরম জায়গাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। বৃহত্তর পটুয়াখালী জুড়ে স্বাধীনতার পূর্বে শহরের স্বনির্ভর রোড এলাকায় ‘আনার-কলি’ নামে একটি আধুনিক শিশুপার্ক নির্মাণ করা হয়। ১৯৬৭ সালে শহীদ আলাউদ্দিনের নামে ঐ পার্কের নামকরণ হয় ‘শহীদ আলাউদ্দিন উদ্যান শিশু পার্ক’।  

কিন্তু নামমাত্র শিশুপার্কটি টিকে থাকলেও যুগ যুগ ধরে বাস্তব চিত্রে দেখা যায় খোলা ময়দান। ফলে বিনোদন থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে এ জেলার ছোট ছোট শিশুরা। অথচ শিশু স্বাভাবিক পরিবেশে বেড়ে উঠতে বিনোদনের ভুমিকা অন্যতম একটি উদাহরণ।

শহীদ আলাউদ্দিন শিশুপার্কটি ফুচকা, চটপটি বিক্রেতা আর পু্রানো কাপড় ব্যবসায়ীদের দখলে। আপরদিকে জেলা প্রশাসকের বাস ভবনের পেছনে পটুয়াখালী চিলড্রেন্স পার্ক নামে একটি পার্ক থাকলেও খালি মাঠ ছাড়া এখানেও নাই কোনো বিনোদনের সুযোগ।   

কয়েক বছর আগে শহরের সার্কিট হাউস সংলগ্ন কয়েকটি জলাধার ভরাট করে পটুয়াখালী জেলা পরিষদ শেখ রাসেল শিশুপার্ক নামে একটি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নিলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। পুরো মাঠ কচুগাছ আর বিভিন্ন আবর্জনা ও আগাছায় ভরে গেছে। ফলে এ পার্কে এখন আর কোনো শিশু খেলতে আসে না। শিশুর পরিবর্তে প্রতিদিন সকাল-বিকাল মাঠজুড়ে চরতে দেখা যায় গরু-ছাগল।  

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত