আমার কথা

তানভীর ইবনে কবির (১৪), বগুড়া

Published: 2018-01-17 21:36:13.0 BdST Updated: 2018-01-18 15:47:12.0 BdST

হ্যালোর শিক্ষাসফরে  বাসা থেকে ঢাকা যাওয়ার অনুমতি পেলাম না। মনটা খুব খারাপ। সেই সময় আমাদের স্কুলের পরিচালনা পরিষদ থেকে আমাকে ডাকা হয়। সেখানে আলোচনা হয়, উন্নয়ন মেলায় আমরা কী করব সে বিষয়ে।

অনেক উৎসাহ আর উদ্দীপনা নিয়ে মেলায় গেলাম। মেলায় ঢুকে প্রথম অনুভূতি ভালই। বিভিন্ন স্টল দেখতে পেলাম। নজর কাড়ল বাংলাদের সরকারের নানান অধিদপ্তরের কর্মকাণ্ড, অর্জন এবং ভিশন, ২০২১-র লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ। জানতে পারলাম কিশোর বাতায়ন সম্পর্কে। 

কিশোর বাতায়ন থেকে কিশোর উপযোগী বিভিন্ন বই পড়া ও ডাউনলোড করা যায়। কিশোরদের তৈরি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা দেখা ও নিজেরাও কন্টেন্ট তৈরি করে আপলোড করা যায়।

এছাড়াও দৈনন্দিন জীবনের সমস্যাকে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান দিয়ে বিশ্লেষণ করা ও হাতেকলমে নানা পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমে ব্যবহারিক জ্ঞান লাভ করা যায়। শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টল থেকে আমাদেরকে কিশোর বাতায়নের সদস্যপদও দেওয়া হয়।

সবচেয়ে ভাল ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিপার্টমেন্টের স্টল। সেখানে দেখতে পেলাম আগুন নেভানোর জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী ।

তিন দিনের মেলাতে দুই দিনই কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের আমন্ত্রণ করে। আমন্ত্রিতরা নিজেদের জাহির করলেন পুরোটা সময়। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কোনো কথা কারও বক্তব্যে নাই!

মেলার শেষ দিন আবার মেলা প্রাঙ্গণে যাওয়া। সেদিন বেশকিছু কাজ হাতে কলমে শেখানো ও আগুন নেভানোর মহড়াতে কিশোর হিসাবে অংশ নিতে পেরে আনন্দে ভরে উঠল মন।

সমাপনীর দিনে শিক্ষার্থীদদের জন্য উন্মুক্ত কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজনে আমাদের স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়, সেটা আনন্দ বাড়ালো!  

ভালোমন্দ মিলিয়ে মেলাতে বেশ ভালোই কাটল। হ্যালোর শিক্ষাসফরে যেতে না পারার কষ্ট খানিকটা হলেও কমলো।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত