জনশুমারিতে সাহায্য করি

“১৫ জুন শুরু হওয়া এই কর্মসূচি শেষ হতে যাচ্ছে ২১ জুন।”
জনশুমারিতে সাহায্য করি

এবারই প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনসংখ্যা গণনা করা হচ্ছে। আমাদের তথ্যগুলো কোনো কাগজে না লিখে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। তবে তথ্য দিতে গিয়ে একটি বিষয় ভেবে দেখলাম শুমারি কর্মীদের কাজ যথেষ্ট কঠিন।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে কথা বলা, তথ্য নেওয়া, হিসাব নেওয়া বেশ বড় দায়িত্বের কাজ। এছাড়াও তাদের অনেক দুর্গম এলাকায় যেতে হয়। নানা ধরনের, নানা মতের মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হয়। আবার সবার কাছ থেকে কিন্তু তারা সমান সহযোগিতাও পাচ্ছে না।

আমি মনে করি, সকলেরই উচিত তাদের কাজে সহযোগিতা করা। দেশের সঠিক জনসংখ্যা গণনা হোক এটা আমাদের প্রত্যেকেরই চাওয়া। সঠিক জনসংখ্যা জানা গেলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় এবং পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।

দেশে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা কর্মসূচি। ১৫ জুন শুরু হওয়া এই কর্মসূচি শেষ হতে যাচ্ছে ২১ জুন।

সাধারণত ১০ বছর পর পর জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেশি থাকায় গত বছর এই কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব হয়নি।

শুরু থেকেই আমার মধ্যে উত্তেজনা ছিল কবে শুমারি কর্মী আমার বাসায় আসবেন এবং আমাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যার হিসাব নিবেন।

অবশেষে আমার সেই আশা পূর্ণ হয়। আমাদের বাসায় এসে যাবতীয় তথ্য নেওয়া হয়। তথ্য দিয়ে সাহায্য করে আমারও খুব ভালো লেগেছে। মনে হচ্ছিল আমি সত্যিই দেশের সুনাগরিক। এর আগে এমন অনুভূতি কখনো হয়নি আমার।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.

সর্বাধিক পঠিত

No stories found.
bdnews24-web.quintype.io