বিশ্বজুড়ে

সাদিক ইভান (১৬), ঢাকা

Published: 2017-06-18 20:48:28.0 BdST Updated: 2017-06-18 20:54:58.0 BdST

ছবি-গুগল
প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার পালিত হয় বিশ্ব বাবা দিবস। বিশ্বের ৫২টি দেশে দিবসটি পালন করা হয়।

বিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে বাবা দিবস পালন শুরু হয়। মায়েদের পাশাপাশি বাবারাও যে সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল তা বোঝানোর জন্যই এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।

ধারণা করা হয়, আমেরিকার পশ্চিম ভার্জিনিয়ার এক গির্জায় দিনটি প্রথম পালন করা হয়। ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই এটি করা হয়।

শোনা যায়, ওয়াশিংটনের সনোরা স্মার্ট ডড নামের এক মহিলার মাথায় বাবা দিবসের ধারণাটা আসে।

তবে তিনি ভার্জিনিয়ার বাবা দিবসের কথা একেবারেই জানতেন না। তিনি তার বাবাকে খুব ভালবাসতেন। তিনি সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগেই ১৯১০ সালে বাবা দিবস পালন করেন।

আসলে মা দিবস বেশ আড়ম্বরে পালন করা হলেও বাবা দিবসের বিষয়টি অনেকের কাছে বেশ হাস্যকর ছিল।

ধীরে ধীরে অবস্থা পাল্টায়। ১৯১৩ সালে বাবা দিবসকে ছুটির দিন ঘোষণা করার জন্য একটা বিল উত্থাপন করা হয় আমেরিকান পার্লামেন্টে।

১৯২৪ সালে তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ বিলটিতে সমর্থন দেন। অবশেষে ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন বাবা দিবসকে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন।

বাবা আর সন্তানের সম্পর্ককে কোনো দিবস দিয়ে বেঁধে রাখা যায় না। তারপরও একটি দিনে বিশেষভাবে যদি বাবাকে সম্মান, ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা জানানো হয়, ক্ষতি কী তাতে? 

বাবারা সচরাচর নিজের কষ্টকে সন্তানের কাছে তুলে ধরেন না। রোদ, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাজ করে যান সন্তানের উজ্জল ভবিষ্যতের জন্য। শুধু মা-ই নন বাবাও সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেন সন্তানের মুখে হাসি দেখতে।  

মা'র তুলনায় বাবার সঙ্গে মানসিক দূরত্বের কারণে বাবাকে ভালোবাসি কথাটা বলতে আমরা অনেকেই লজ্জা পাই। অনেকেরই হয়তো ইচ্ছে করে বাবাকে একটু জড়িয়ে ধরে বলতে, বাবা আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। কিন্তু হয়ে ওঠে না। আজ একবার চেষ্টা করে দেখা যাক না, বাবাকে ভালোবাসার কথাটা বলতে পারি কিনা।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • আনুমানিক দুইশ বছরের পুরনো আমগাছ

    ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রায় দুই বিঘা জুড়ে আছে একটি আমগাছ। দেখলে মনে হয় বিরাট এক আম বাগান। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই মহীরূহের বয়স আনুমানিক দুইশ বছরের কম নয়।

  • ধিক্কার: বঙ্গবন্ধু হত্যার খবরকে অবহেলা করেছিল যারা

    শুধু রাজনীতি নয়, সংবাদপত্রের কাজের সঙ্গেও বঙ্গবন্ধুর সম্পৃক্ততা ছিলো। জীবনের কর্মযজ্ঞে কখনও পত্রিকার মালিক, কখনও সাংবাদিক, কখনও পূর্ব পাকিস্তান প্রতিনিধি, কখনও বা পরিবেশক ছিলেন তিনি। দরকারে হকারিও করেছেন।

  • দৃষ্টিহীনতা দমাতে পারেনি রফিকুলকে

    কুড়িগ্রামের রফিকুল ইসলাম দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও তার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর আবর্জনা রিসাইকেল করে তিনি নিত্য ব্যবহারের জিনিস তৈরি করে বাজারজাত করছেন।