অন্য চোখে

ফারিয়া আফরিন (১৪), ঢাকা

Published: 2017-05-14 20:20:40.0 BdST Updated: 2017-05-14 20:28:24.0 BdST

সংগৃহীত
মাকে ভালোবেসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই বিশ্ব মা দিবস পালন করা হয়।  

উদযাপনের দিক থেকে বড়দিন ও ভালোবাসা দিবসের পরেই মা দিবসের স্থান।

অনেকের মতে, প্রাচীন গ্রিসের মাতৃ আরাধনার প্রথা থেকেই মা দিবসের শুরু। এছাড়া জানা যায়, আনা জার্ভিস নামের একজন মার্কিন নারী দিবসটি প্রবর্তনে মুখ্য ভূমিকা রাখেন।

১৯০৫ সালে আনা তার মাকে হারানোর পর সব মায়ের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য মা দিবসের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। তার চেষ্টাতেই ১৯০৮ সালে সবার আগে ভার্জিনিয়া ও পেনসিলভানিয়ার কিছু গির্জায় তার মায়ের মৃত্যুদিনটিকে 'মা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।  

এরপর দিবসটির স্বীকৃতি পেতে  আনা ছয় বছর আন্দোলন করেন।

তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে জাতীয় মা দিবসের মর্যাদা দেন এবং এদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন।

তখন থেকেই মা দিবসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু পরবর্তী ছয় বছরে দিনটি এতটাই বাণিজ্যিক হয়ে ওঠে যে আনা নিজেই এ দিনটির বিরোধিতা করতে শুরু করেন।

তিনি বছরে এমন একটি দিন চেয়েছিলেন, যেদিন মানুষ তার মাকে উৎসর্গ করবে। তবে তখনকার পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি বলেন, 'লোক দেখানোর জন্য বছরের একটি দিন নয়, মায়ের জন্য হোক বছরের প্রতিটা দিন।'

এরপরে ১৯৬২ সালে এই দিনটি 'বিশ্ব মা দিবস' হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। বিশ্বের প্রায় একশটি দেশে দিনটি শ্রদ্ধার সাথে পালিত হচ্ছে।

বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন দিনে দিবসটি পালিত হয়। তবে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে পালন করতে। এর ফলে অন্য দিবসের মতো প্রতি বছর একই তারিখে দিবসটি উদযাপিত হয় না।

বাংলাদেশেও মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকেই মা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সাধারণত সাদা কার্নেশন ফুলকে দিবসটির প্রতীক বিবেচনা করা হয়।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • আনুমানিক দুইশ বছরের পুরনো আমগাছ

    ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রায় দুই বিঘা জুড়ে আছে একটি আমগাছ। দেখলে মনে হয় বিরাট এক আম বাগান। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই মহীরূহের বয়স আনুমানিক দুইশ বছরের কম নয়।

  • ধিক্কার: বঙ্গবন্ধু হত্যার খবরকে অবহেলা করেছিল যারা

    শুধু রাজনীতি নয়, সংবাদপত্রের কাজের সঙ্গেও বঙ্গবন্ধুর সম্পৃক্ততা ছিলো। জীবনের কর্মযজ্ঞে কখনও পত্রিকার মালিক, কখনও সাংবাদিক, কখনও পূর্ব পাকিস্তান প্রতিনিধি, কখনও বা পরিবেশক ছিলেন তিনি। দরকারে হকারিও করেছেন।

  • দৃষ্টিহীনতা দমাতে পারেনি রফিকুলকে

    কুড়িগ্রামের রফিকুল ইসলাম দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও তার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর আবর্জনা রিসাইকেল করে তিনি নিত্য ব্যবহারের জিনিস তৈরি করে বাজারজাত করছেন।