অন্য চোখে

আশনা আনজুম (১৬), ঢাকা

Published: 2016-12-21 19:26:55.0 BdST Updated: 2016-12-21 20:50:40.0 BdST

বিজ্ঞানীরা সি-হর্স নামের সামুদ্রিক প্রাণিটির কিছু অদ্ভুত জিন আবিষ্কার করেছেন। এ আবিষ্কারে যুক্ত হয়েছে পুরুষ সি-হর্সের গর্ভধারণের তথ্য।

সি-হর্সদের মাঝে পুরুষরা গর্ভধারণ করে এবং বাচ্চা জন্ম দেয়। এদের জিনোমের ওপর গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা এ তথ্য দেন।

পুরুষ সি-হর্সদের শরীরে এক রকম সুরক্ষিত থলি থাকে। মিলনের ফলে এই থলিতে ডিম তৈরি হয়। ধীরে ধীরে এই ডিম থেকে পূর্ণাঙ্গ শাবকের জন্ম হয়।

বুধবার রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

সারা পৃথিবীতে প্রায় চল্লিশ প্রজাতির সি-হর্সের দেখা পাওয়া যায়। এই প্রাণিটিকে উত্তর, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় বেশি দেখা যায়। এমন কি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অগভীর পানিতেও এদের দেখা পাওয়া যায়। সাধারনণত প্রবাল সমৃদ্ধ সামুদ্রিক এলাকা কিংবা সাগরের মোহনায় এরা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে। দৈর্ঘে এরা সাধারণত ১.৫ সেন্টিমিটার থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এ প্রাণির মাথা অনেকটা ঘোড়ার মাথার মত, নাক লম্বা নলের মতো, লেজ দৃঢ় এবং এদের কোনো দাঁত নেই। এদের শরীরজুড়ে অসংখ্য হাড় রয়েছে। এছাড়া সামনে ও পেছনে দুদিকেই দেখতে পায় এরা। অবস্থাভেদে নিজেদের শরীরের রঙও পরিবর্তন করতে পারে।

মানুষ এবং অন্য পশুপাখির এক রকম জিন থাকে যার ফলে দাঁত সৃষ্টি হয়। কিন্তু সি-হর্সের এ জিন না থাকায় এদের দাঁত নেই। একারণে দাঁতের বদলে এরা নাক দিয়ে খাবার খায়। 

অন্য মাছদের মত সি-হর্সের শরীরের মাঝামাঝি পাখনা থাকে না। তাই সাঁতার কাটতে এরা শরীরের পেছনের বিশেষ পাখনা ব্যবহার করে।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • আনুমানিক দুইশ বছরের পুরনো আমগাছ

    ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রায় দুই বিঘা জুড়ে আছে একটি আমগাছ। দেখলে মনে হয় বিরাট এক আম বাগান। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই মহীরূহের বয়স আনুমানিক দুইশ বছরের কম নয়।

  • ধিক্কার: বঙ্গবন্ধু হত্যার খবরকে অবহেলা করেছিল যারা

    শুধু রাজনীতি নয়, সংবাদপত্রের কাজের সঙ্গেও বঙ্গবন্ধুর সম্পৃক্ততা ছিলো। জীবনের কর্মযজ্ঞে কখনও পত্রিকার মালিক, কখনও সাংবাদিক, কখনও পূর্ব পাকিস্তান প্রতিনিধি, কখনও বা পরিবেশক ছিলেন তিনি। দরকারে হকারিও করেছেন।

  • দৃষ্টিহীনতা দমাতে পারেনি রফিকুলকে

    কুড়িগ্রামের রফিকুল ইসলাম দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও তার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর আবর্জনা রিসাইকেল করে তিনি নিত্য ব্যবহারের জিনিস তৈরি করে বাজারজাত করছেন।