খবরাখবর

তাহমিদুজ্জামান রাফি (১৬), মৌলভীবাজার

Published: 2017-09-21 20:55:15.0 BdST Updated: 2017-09-21 20:55:54.0 BdST

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংগীত শেখান সংগীত শিল্পী সুদর্শন রবিদাস। তিনি সবার কাছে সংগীত কাকু নামে পরিচিত।

উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, সবার কাছে সংগীত কাকু নামে পরিচিত সুদর্শন রবিদাস বিদ্যালয় সমাবেশে জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় সুর, তাল ও উচ্চারণ শুদ্ধ করে শিখিয়ে দেন।

সুদর্শন রবিদাস হ্যালোকে বলেন, "অনেক বিদ্যালয়ে অ্যাসেম্বলির সময় শিক্ষার্থীদের ভুলে ভরা জাতীয় সংগীত গাইতে দেখেছি। তাল, লয়, কথা সব খানেই তাদের ভুল। এই ভুল সংশোধন করে তাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার জন্য আমার এই শুদ্ধ জাতীয় সংগীত শেখানো।"   

তিনি আরো জানান, ২০১৩ সালের মার্চে শুরু হওয়া এই যাত্রায় কুলাউড়াসহ আশপাশের জুড়ী, বড়লেখা, কমলগঞ্জ ও রাজনগর উপজেলার ৬৪৪ টি কিন্ডারগার্টেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংগীত শিখিয়েছেন।

জাতীয় সঙ্গীত ছাড়াও তিনি দেশাত্ববোধক গান, ছড়া, কবিতা এবং শরীরচর্চাও শিখিয়ে থাকেন।

উপজেলার ফরিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাফি বলে, "তিনি জাতীয় সংগীত শুদ্ধ করে শেখানোর পাশাপাশি অন্যরকম শরীরচর্চাও শিখিয়েছেন। কাকুর শেখানো শরীরচর্চা করতেও অনেক ভাল লাগে।"

ছকাপন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারুফ বলে, "জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় আগে তাল, লয় ও সুরে অনেক ভুল করতাম। এখন তা শোধরাতে পেরেছি। "

লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী রুহিন বলেন, "সুদর্শন স্যারের কাছ থেকে দেশপ্রেম কি তা বুঝতে পেরেছি। জাতীয় সংগীতও শুদ্ধ ভাবে গাইতে শিখেছি।"  

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সুদর্শন রবিদাসের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

তিনি স্কুলে এলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাণচঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তারা প্রাণ ভরে জাতীয় সংগীত গায় বলেও তারা প্রশংসা করেন।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • আমার ভালোবাসা

    মানুষের জীবনে নিজের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো তার নাম। নাম দিয়েই আমরা একজন থেকে আরেকজনকে আলাদা করে চিনতে পারি। আর নিজের নাম ভালোবাসে না বা অন্যের মুখে সে নাম শুনলে ভালো লাগে না এমনটি হতে পারে খুব কম।

  • বগুড়ায় এডওয়ার্ড পার্ক শিশুদের প্রিয় জায়গা (ভিডিওসহ)  

    শিশু-কিশোরসহ বড়রাও বেড়াতে ভালোবাসেন বগুড়া এডওয়ার্ড পার্কে।

  • একাধিক শিশু জন্মানোর ঝুঁকি ও সতর্কতা (ভিডিওসহ)

    প্রায়ই আমরা জমজশিশু জন্মাতে দেখি। কখনো কখনো দুইয়ের বেশি শিশু প্রসব করার ঘটনাও শোনা যায়। সম্প্রতি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী হাসপাতালে পরপর তিন নবজাতকের জন্ম দেন বানাইল গ্রামের সুবর্ণা বেগম।