খবরাখবর

আমিনুর রহমান হৃদয় (১৭), ঠাকুরগাঁও

Published: 2017-06-07 16:40:46.0 BdST Updated: 2017-06-07 18:13:59.0 BdST

ঠাকুরগাঁওয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এক অভিভাবক।

বছরের শুরুতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও কোনো সুরাহা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন তোবারক আলী নামের ওই অভিভাবক।

তিনি বলেন, “এ সপ্তাহে জেলা প্রকাশকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।”

তিনি জানান, ঐ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য লিখিত পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয় তার মেয়ে উম্মে মাইমুনা আক্তার।পরে দুই হাজার টাকা ফি দিয়ে ভর্তি হওয়ার পরও বই নিতে গেলে অতিরিক্ত ৩২০ টাকা চাওয়া হয়। টাকা না দিলে বই দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দেয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুল হক।

তোবারক আলী বলেন, “সরকার বিনামূল্যে বই দিচ্ছে শিক্ষার্থীদের। আমি এই বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে জানালে বললে তিনি বলেন, ‘এটা পাইলট স্কুল। এখানকার সিদ্ধান্ত নেব আমি। টাকা ছাড়া বই দেব না।”

তিনি আরও বলেন, “বাধ্য হয়ে সুবিচারের আশায় এবার জেলা প্রশাসকসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেছি।”

উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক গোলাম রব্বানীও একই অভিযোগ করে বলেন, “আমার ছেলের ভর্তির সময়ও অতিরিক্ত ফি নিয়েছে প্রধান শিক্ষক। আমিও অভিযোগ দেব।”

অতিরিক্ত ৩২০ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মফিজুল হক বলেন, “ভর্তি ফি কমই নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে আরো বাড়ানো হবে। অভিযোগ করে কোন লাভ নাই।”

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার বলেন, “বিষয়টি দেখার জন্য আমি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আরিফুল্লাহ বলেন, “আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি দেখা হবে।”

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • আনুমানিক দুইশ বছরের পুরনো আমগাছ

    ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রায় দুই বিঘা জুড়ে আছে একটি আমগাছ। দেখলে মনে হয় বিরাট এক আম বাগান। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই মহীরূহের বয়স আনুমানিক দুইশ বছরের কম নয়।

  • ধিক্কার: বঙ্গবন্ধু হত্যার খবরকে অবহেলা করেছিল যারা

    শুধু রাজনীতি নয়, সংবাদপত্রের কাজের সঙ্গেও বঙ্গবন্ধুর সম্পৃক্ততা ছিলো। জীবনের কর্মযজ্ঞে কখনও পত্রিকার মালিক, কখনও সাংবাদিক, কখনও পূর্ব পাকিস্তান প্রতিনিধি, কখনও বা পরিবেশক ছিলেন তিনি। দরকারে হকারিও করেছেন।

  • দৃষ্টিহীনতা দমাতে পারেনি রফিকুলকে

    কুড়িগ্রামের রফিকুল ইসলাম দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও তার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর আবর্জনা রিসাইকেল করে তিনি নিত্য ব্যবহারের জিনিস তৈরি করে বাজারজাত করছেন।