খবরাখবর

শেখ নাসির উদ্দিন (১৪), টাঙ্গাইল

Published: 2017-03-25 20:12:50.0 BdST Updated: 2017-03-25 20:12:50.0 BdST

সংগৃহীত
সারা দেশের মতো টাঙ্গাইলে পালিত হলো বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস।

‘ঐক্যবদ্ধ হলে সবে, যক্ষ্মা মুক্ত দেশ হবে’-প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জামুর্কী কেন্দ্রে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত হয়।

শুক্রবার সকালে জামুর্কী কেন্দ্র থেকে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের হয়। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভা কক্ষে যক্ষ্মা নিয়ে আলোচনা হয়। এই সভায় শিক্ষার্থীরাও অংশ নেয়।

আলোচনা করেন হাসপাতালের ইনচার্জ হুমায়ুন কবির। তিনি শিক্ষার্থীদের করে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্তদের হাসপাতালে পাঠানোর আহ্বান জানান।

যক্ষ্মা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যক্ষ্মা বিভাগের প্রধান মো. ফজলুর রহমান।

যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সম্পর্কে কথা বলেন তিনি। দুই সপ্তাহের বেশি কাশি হলে ডাক্তারের কাছে যেতে পরামর্শ দেন।

মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাহরিয়ার সাজ্জাত বলেন, ‘প্রতিটি শিশুর জন্মের সাথে সাথে যক্ষ্মা প্রতিষেধক টিকা বিসিজি দিতে হবে।  

‘জন্মের ৪২ দিন পর এই টিকা দিতে হয় বলে যে ধারণা আছে, আসলে সেটা ভুল।’

ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারলে ২০৩৫ সালের মধ্যে ৯০ ভাগ থেকে যক্ষ্মারোগীর পরিমাণ ১০ ভাগে নামিয়ে আনা সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আলোচনায় অংশ নেওয়া দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানভীর হোসেন হ্যালোকে জানায়, এই সভায় আসার আগে ও জানতো না, দুই সপ্তাহের বেশি কাশি হলে চিকিৎসা নিতে হয়।  

একই শ্রেণির তানিয়া বলে, ‘জন্মের সাথে সাথেই যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে, নতুন শিখলাম।

‘এছাড়া যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ ও এবং কীভাবে এর চিকিৎসা নেব তাও জানলাম।’

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত