খবরাখবর

নূর মোহাম্মদ হৃদয় (১৫), পিরোজপুর

Published: 2017-03-04 20:53:53.0 BdST Updated: 2017-03-05 18:59:54.0 BdST

এসএসসির লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে। অনেকে ভালো পরীক্ষা দিয়েও খুশি থাকতে পারছে না।

এ বিষয়ে পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কয়েক জনের সঙ্গে কথা হয় হ্যালোর।

নাহিদ হোসেন খান নামের এক কিশোর হ্যালোকে জানায়, “পত্রিকায় একের পর এক প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর দেখেছি। যদি প্রশ্ন ফাঁস হবেই তবে এত কষ্ট করে পড়লাম কেন?

“যে ছেলেটা একদম লেখাপড়া না করে জিপিএ পাঁচ পাবে তার সঙ্গে আমার পার্থক্য কোথায় থাকল?”

আরেক এসএসসি পরীক্ষার্থী আবুল হোসেন খান রাফি বলেন, “দেশ এত এগিয়ে গেছে। সব দিকে উন্নয়ন। তাহলে আমাদের প্রতি এত অবহেলা কেন?

“এভাবে দেশের ভবিষ্যৎকে খোঁড়া করে দিচ্ছে। কারো কোনো মাথা ব্যথা নেই।”

ও আরও বলে, “প্রশ্ন ফাঁস রোধে আইন কোথায়, কোথায় প্রয়োগ? প্রশাসন কেন এত অসচেতন?”

প্রশ্ন ফাঁস ছাড়াও খাতার মান ও সাতটি সৃজনশীল উত্তর লেখা নিয়েও অভিযোগ করে অনেকে।

পরীক্ষার্থী ও শিশু সাংবাদিক শাকিলুর রহমান বলে, “এবার প্রথম যে সমস্যাটা হয়েছে তা হলো সাতটা সৃজনশীলের চাপ। আমরা ভয় পেয়েছি। যদিও নির্ধারিত সময়ের যুক্তি ছিল কিন্তু তার মধ্যে সাতটা পুরোপুরি লেখা অত্যন্ত কঠিন। তাড়াহুড়োয় হাতের লেখা, লেখার মানও খারাপ হয়েছে।”

তবে পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি’র সদস্য জ্যোতিষ চন্দ্র গোমস্তা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “সব পরীক্ষকরাই পরীক্ষার আগে কাগজে মুড়িয়ে কেন্দ্র সচিবের কাছে তাদের ফোন জমা দিয়েছেন।”

এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মা পারভীন আক্তার হ্যালোকে বলেন, “ছেলের মুখে প্রতিদিন শুনেছি প্রশ্ন ফাঁসের কথা। এভাবে চলতে থাকলে দেশ তো মেধা শূন্য হয়ে যাবে।”

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত