কথায় কথায়

শেখ শরফুদ্দিন রেজা (১৭), রাশেদ মজুমদার (১৬), ঢাকা

Published: 2017-07-02 20:54:34.0 BdST Updated: 2017-07-02 21:49:20.0 BdST

কারিগরি শিক্ষায় আগ্রহী শিশুদের স্বপ্নপূরণে পড়াশোনার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে মৌলিক ও প্রায়োগিক শিক্ষা দিচ্ছে 'টেক ল্যাব' নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা সফটওয়্যার, রোবট ও নানা ধরনের বিজ্ঞান প্রকল্প তৈরি করছে।

সম্প্রতি টেক ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা নিলয় অনিকের সাথে তাদের কাজ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয় হ্যালোর।

হ্যালো: শুরুতেই আপনার কাছ থেকে জানতে চাই- টেক ল্যাব কি?

নিলয় অনিক: টেক ল্যাব একটা স্বপ্ন। এমন একটা ওয়ার্ল্ড ক্রিয়েট করার স্বপ্ন যেখানে সবাই টেকনোলজি ইনোভেট এন্ড ডেভেলাপ করতে পারবে। সবাই যার যার সমস্যা নিজেরাই সমাধান করতে পারবে এবং কোন প্রোডাক্ট কিংবা ইন্ডাস্ট্রির ওপর তাদের নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হবে না। টেক ল্যাব প্রতিদিন এসব স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

হ্যালো: ‘টেক ল্যাব’ প্রকল্প নিয়ে কাজের শুরুটা কেমন ছিল?

নিলয় অনিক: আমার স্বপ্ন ছিল, শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন আনা। যেটা দেশ ও বিশ্বে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় অর্থাৎ টেক ল্যাব নিয়ে কাজ শুরুর আগে পথশিশুদের নিয়ে একটা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। যার লক্ষ্য ছিল তাদের স্বপ্ন চিহ্নিত করা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাদের প্লাটফর্ম তৈরি করা। কিন্তু কয়েক মাস পর অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে প্রজেক্টের কাজ বন্ধ করে দিতে হয়।

ওই ব্যর্থতাই আমার মাঝে একজন উদ্যোক্তার জন্ম দেয়। যেহেতু আমি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্টুডেন্ট ছিলাম, পরবর্তীতে টেকনোলজিকে ফোকাস করে অনেক উত্থান পতনের পর, ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে 'দ্য টেক ল্যাব' চালু করি এবং ২০১৬ সালে সাত জন শিশুকে নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। এখন শ’খানেক শিক্ষার্থী তাদের  ইঞ্জিনিয়ারিং ও রোবটিকস স্বপ্নের বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

হ্যালো: শিশুদের নিয়ে কাজ করার আগ্রহ হলো কেনো?

নিলয় অনিক: ওয়েল, দুটো কারণে আমি শিশুদের নিয়ে কাজ শুরু করি। প্রথমত, শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার আগ্রহ আগে থেকেই ছিল। আরেকটা কারণ হচ্ছে, শৈশবের আমার কিছু অভিজ্ঞতা ছিল। আমি চাচ্ছিলাম, আর কোনো শিশু যেন সেগুলোর সম্মুখীন না হয়। পড়াশোনা শেখাটা যেন আনন্দের হয়। এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে চাচ্ছিলাম, যেখানে একটা শিশু তার ইচ্ছেটাকে অনুসরণ করতে পারবে। তাছাড়া, আমি বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করতে খুবই ভালবাসি।

হ্যালো: কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

নিলয় অনিক: সাড়া মোটামুটি ভালোই পাচ্ছি। তবে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সমাজের সবাইকে আইডিয়াটার সাথে পরিচয় করিয়ে ও বুঝিয়ে দেওয়া।

Print Friendly and PDF

সর্বাধিক পঠিত
  • আমার ভালোবাসা

    মানুষের জীবনে নিজের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো তার নাম। নাম দিয়েই আমরা একজন থেকে আরেকজনকে আলাদা করে চিনতে পারি। আর নিজের নাম ভালোবাসে না বা অন্যের মুখে সে নাম শুনলে ভালো লাগে না এমনটি হতে পারে খুব কম।

  • বগুড়ায় এডওয়ার্ড পার্ক শিশুদের প্রিয় জায়গা (ভিডিওসহ)  

    শিশু-কিশোরসহ বড়রাও বেড়াতে ভালোবাসেন বগুড়া এডওয়ার্ড পার্কে।

  • একাধিক শিশু জন্মানোর ঝুঁকি ও সতর্কতা (ভিডিওসহ)

    প্রায়ই আমরা জমজশিশু জন্মাতে দেখি। কখনো কখনো দুইয়ের বেশি শিশু প্রসব করার ঘটনাও শোনা যায়। সম্প্রতি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী হাসপাতালে পরপর তিন নবজাতকের জন্ম দেন বানাইল গ্রামের সুবর্ণা বেগম।